মিলান: হতে পারে ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলারের দৌড়ে কিছুটা পিছনে ছিলেন। তবে চূড়ান্ত তিন জনের তালিকায় নাম ছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর। ভোটের নিরিখে শেষ রাউন্ডে বাজি মাত করতেই পারতেন, ঠিক যেমনটা করলেন লিওনেল মেসি। তাই যদি হতো, তবে বর্ষসেরা ফুটবলারকে ছাড়াই অনুষ্ঠিত হতো ফিফার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ‘দ্য বেস্ট’।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ও ভার্জিল ভ্যান ডিককে টপকে মেসি এবছর ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছেন। পুরস্কারের অন্যতম দাবীদার হওয়া সত্ত্বেও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না রোনাল্ডো। স্বাভাবিকভাবেই ফিফার বর্ষসেরা দলে জায়গা পেয়েছেন সিআর সেভেন। তবে মঞ্চে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর অনুপস্থিতি আলাদা করে চোখ টানছিল। কারণ, ১১ জন ফুটবলার এর মধ্যে ১০ জন উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। ফিফার তরফে দল ঘোষণার পর ১০ জনকে নিয়েই অনুষ্ঠিত হয় ফটোশুট।

যদিও ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার তরফে রোনাল্ডোর অনুপস্থিতির কোনও কারণ জানানো হয়নি। বিতর্ক এড়াতে মঞ্চে বর্ষসেরা দলের ১০ জনের নাম ঘোষণা করা হয়। যাঁরা একে একে প্রত্যেকেই মঞ্চে ওঠেন। রোনাল্ডো উপস্থিত ছিলেন না বলে তাঁর নাম সচেতনে এড়িয়ে যাওয়া হয়।

প্রকৃত কারণ না জানা গেলেও মনে করা হচ্ছে চোটের জন্যই রোনাল্ডো উপস্থিত হতে পারেননি ফিফার সভায়। মঙ্গলবার রাতের সিরি-এ ম্যাচের জন্য জুভেন্তাসের স্কোয়াডেও রাখা হয়নি রোনাল্ডোকে।

ফিফার বর্ষসেরা দলে এবার জায়গা হয়নি নেইমার, মহম্মদ সালাহ, গ্রিজমানের মতো তারকাদের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী লিভারপুলের দুই তারকা অবশ্য জায়গা পেয়েছেন ফিফার বর্ষসেরা একাদশে। গোলকিপার অ্যালিসন ছাড়াও রয়েছেন ভ্যান ডিক।

ফিফার বর্ষসেরা একাদশ: অ্যালিসন বেকের (ব্রাজিল/লিভারপুল), সার্জিও রামোস (স্পেন/রিয়াল মাদ্রিদ), ভার্জিল ভ্যান ডিক (নেদারল্যান্ডস/লিভারপুল), ম্যাথিজ ডি লিট (নেদারল্যান্ডস/জুভেন্তাস), মার্সেলো (ব্রাজিল/রিয়াল মাদ্রিদ), লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া/রিয়াল মাদ্রিদ), ফ্রেঙ্কি ডি জং (নেদারল্যান্ডস/বার্সেলোনা), ইডেন হ্যাজার্ড (বেলজিয়াম/রিয়াল মাদ্রিদ), লিওনেল মেসি (আর্জেন্তিনা/বার্সেলোনা), কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স/পিএসজি), ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (পর্তুগাল/জুভেন্তাস)।