মাদেইরা: দিনকয়েক আগে লকডাউনে গৃহবন্দি অবস্থায় ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি চুল কেটেছিলেন স্ত্রী অনুষ্কা শর্মার কাছে। ভারতীয় ক্রিকেটের ফার্স্ট ম্যান ও ফার্স্ট লেডির সেই মজার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল ইন্টারনেটে। এবার কোহলির মতোই হোম কোয়ারেন্টাইনে বান্ধবী জর্জিনা রডরিগেজের কাছে চুল কাটলেন পর্তুগিজ ফুটবলের পোস্টার বয় ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো।

মহামারী করোনার জেরে গৃহবন্দী হয়ে জর্জিনার কাছে হেয়ারকাটের সেই ভিডিও ক্রিশ্চিয়ানো পোস্ট করেন টুইটারে। যেখানে দেখা যাচ্ছে ট্রিমার চালিয়ে দিব্যি রোনাল্ডোর হেয়ার ডিজাইন করে দিচ্ছেন জর্জিনা। আর গোটা বিষয়টি দারুণভাবে উপভোগ করছেন জুভেন্তাস তারকা। ঠিক একইভাবে
দিনকয়েক আগে কোহলিকে নতুন হেয়ারস্টাইল করে দিয়েছিলেন বলি ডিভা অনুষ্কা শর্মা।

বিশ্ব মহামারী নোএল করোনা ভাইরাসের প্রকোপ রুখতে কার্যত লকডাউনে গোটা বিশ্ব। অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য থমকে গিয়েছে ময়দান। স্থগিত হয়ে যাচ্ছে মেজর স্পোর্টস ইভেন্ট। একবছর স্থগিত হয়ে গিয়েছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ অলিম্পিক, ইউরো ২০২০। চলতি মরশুমে বাতিল হয়ে গিয়েছে ঐতিহ্যের উইম্বলডন। নভেম্বরে অনুর্ধ্ব-১৭ মহিলা ফুটবল বিশ্বকাপও স্থগিত রেখেছে ফিফা।

তবে এমন সময় গৃহবন্দি থেকে মজা করেই শুধু কাটাচ্ছেন না তারকা অ্যাথলিটরা। সংকটের সময় মানুষের দৈন্যদশা, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল তারা। আর তাই দেশের স্বাস্থ্য সংকটের কথা মাথায় রেখে রোনাল্ডো এবং তাঁর এজেন্ট পর্তুগালের একাধিক হাসপাতাল জীবনদায়ী সরঞ্জাম কেনার জন্য ১.০৮ মিলিয়ন অর্থ দান করেছেন। রাজধানী লিসবন শহরের সান্তা মারিয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে রোনাল্ডোকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

ওই হাসপাতালের দু’টি ওয়ার্ডে ১০টি আইসোলেশন বেড, ভেন্টিলেটর, হার্ট মনিটর সহ একাধিক সরঞ্জাম প্রদান করেছেন ক্রিশ্চিয়ানো ও তাঁর এজেন্ট জর্জ মেন্ডেজ। করোনার আপদকালীন তহবিলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে অর্থদান করে সাহায্য করেছে বিরুষ্কাও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.