লাস ভেগাস: একেই বলে ভাগ্য৷ফোন হারালে ফোন পাওয়া যেতেও পারে৷তাবলে হারানো ফোনের সঙ্গে কী কখনও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকেও ফ্রি-তে পাওয়া যায়? খোলসা করেই বিষয়টি বলা যাক৷অস্টিন উলস্টেনহিউম নামের এক সুন্দরী তাঁর সখের ফোনটি হারিয়ে ফেলেছিলেন৷এটা কোনও খবর নয়৷কিন্তু অস্টিনের হারানো ফোন খুঁজে পেলেন স্বয়ং ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো৷অন্তত এমনটাই দাবি অস্টিনের৷শুধু তাই নয়৷ফোনের মালিককে ফোন ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি অস্টিন ও তাঁর বান্ধবীদের নিয়ে লাস ভেগাসের একটি বিলাসবহুল রেস্তরাঁতেও ডিনার করাতে নিয়ে যান সিআর সেভেন৷সপ্তাহখানেক ধরেই রোনাল্ডো ছুটি কাটাচ্ছেন লাস ভেগাসে৷এই শহরকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘পার্টি ক্যাপিটাল’ বলা হয়৷এখান থেকেই রোনাল্ডো জাপানের টোকিওতে তাঁর নতুন ‘বডি রেভলিউশন প্রোজেক্ট’-এর প্রচারে গিয়েছিলেন৷সেখানেও একটি সুন্দরী ফ্যানের সঙ্গে স্টেজের মধ্যেই হাসি-ঠাট্টায় মেতে ওঠেন তিনবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী ফুটবলার৷ইরিনা শায়েককে ছাড়াও রোনাল্ডো ভালো থাকতে জানেন৷কখনও নিজের ছেলে ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে তো কখনও অজানা সুন্দরীদের সঙ্গে৷তাই তো তিনি সিআর সেভেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।