লিসবন: রেকর্ড তাঁর রন্ধ্রে-রন্ধ্রে। তা সে মাঠেই হোক কিংবা মাঠের বাইরে। সিরি-‘এ’তে টানা আট ম্যাচে গোলের নজির গড়েছেন দিনদু’য়েক আগে। যারা বলছিলেন ফুটবলার রোনাল্ডো ফুরিয়ে গিয়েছেন, মাঠেই পারফরম্যান্সের মধ্যে দিয়ে সমালোচকদের সব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার। তবে মাঠের বাইরের ঘটনায় যদি নজর ঘোরানো যায়, তাহলে সেখানেও নয়া মাইলস্টোন গড়লেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো।

কথা হচ্ছে সামাজিক যগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামের। প্রথম ইউজার হিসেবে ইনস্টাগ্রামে ১০০ মিলিয়ন ইউজারের মালিক হয়েছিলেন রোনাল্ডো। সেই ধারা বজায় রেখে প্রথম ২০০ মিলিয়ন ফলোয়ারের গন্ডিও ছুঁয়ে ফেললেন জুভেন্তাস মহাতারকা। এক ভিডিওবার্তায় ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুরাগীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলেন বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা। ‘ওয়াও ২০০ মিলিয়ন!!! প্রত্যেককে ধন্যবাদ এই জার্নিতে আমার পাশে থাকার জন্য।’

জুভেন্তাস জার্সিতে বার্ষিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার পারিশ্রমিকের পাশাপাশি রোনাল্ডোর বার্ষিক আয়ের অনেকটা জুড়েই রয়েছে ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট ও ইনস্টাগ্রাম পোস্ট। সমীক্ষায় প্রকাশ ক্লাবের পারিশ্রমিক, ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট, ইনস্টা পোস্ট সবমিলিয়ে রোনাল্ডোর বার্ষিক আয় ৪৭.৮ মিলিয়ন ইউরো। অর্থাৎ চুক্তি মোতাবেক জুভের বেতন বাদ দিলে বিভিন্ন ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট ও ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে পর্তুগিজ সুপারস্টারের বার্ষিক আয় ১৩.৮ মিলিয়ন ডলার।

আরেকটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে ইনস্টাগ্রামে প্রত্যেক স্পনসরড পোস্ট থেকে রোনাল্ডোর আয় ৯ লক্ষ ইউরো। তালিকায় অনেকটা পিছিয়ে ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। ইনস্টাগ্রামে প্রত্যেক স্পনসরড পোস্ট থেকে নেইমারের আয় ৪ লক্ষ ২৫ হাজার ইউরো। ইনস্টাগ্রামে আয়ের ভিত্তিতে দ্বিতীয়স্থানে রয়েছেন আর্জেন্তাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। তবে ফলোয়ারের দিক থেকে রোনাল্ডোর অনেকটাই পিছনে রয়েছেন বার্সেলোনা তারকা। মেসির ফলোয়ারের সংখ্যা ১৪০ মিলিয়ন।

১৭৩ মিলিয়ন ফলোয়ার নিয়ে ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের নিরিখে দ্বিতীয়স্থানে রয়েছেন পপস্টার আরিয়ানা গ্রান্ডে। তৃতীয়স্থানে ১৭০ মিলিয়ন নিয়ে রয়েছেন হলিউড তারকা তথা প্রাক্তন ডব্লু ডব্লু ই সুপারস্টার ডোয়েন জনসন (রক)। চতুর্থস্থানে পপস্টার সেলেনা গোমেজ। গোমেজের ফলোয়ার সংখ্যা ১৬৭ মিলিয়ন।