ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টারঃ দেওরের কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গৃহবধূকে খুন। শুধু তাই নয়, একেবারে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ শশুর বাড়ির বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে সাঁইথিয়া থানার দেরপুর গ্রামে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পেশায় পুলিশে সিভিক ভলেন্টিয়ার হিসাবে কর্মরত।

মাস ৬ আগে কাতুরি গ্রামের বছর তেইশের পূজা মণ্ডলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সাঁইথিয়া থানার দেরপুর গ্রামের সুখেন মণ্ডলের। কর্মসূত্রে সুখেন বাবু দেয়ঘরে থাকতেন। সেই সুযোগে তার ভাই ভুপেন মণ্ডল বউদিকে কু প্রস্তাব দেয়। বউদি কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অত্যাচারের মাত্রা বাড়তে থাকে পূজার উপর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভুপেন সাঁইথিয়া থানার সিভিক পুলিশ, দাদা না থাকার সুযোগে বার বার বউদিকে কু প্রস্তাব দিতে শুরু করে বউদি কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ক্রমাগত মানসিক ও শারীরিক ভাবে তাকে অত্যাচার করতে থাকে বলে অভিযোগ।

এছাড়াও প্রায় পনের দাবিতে পূজাকে শশুর বাড়ির তরফে চাপ দেওয়া হত বলে অভিযোগ। মেয়ের বাবা মনোরথ মণ্ডলের দাবি, বিয়ে তে পণ দেওয়া সত্ত্বেও প্রায় দিনই আমার মেয়েকে পনের জন্য চাপ দেওয়া হতো. বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই শশুর বাড়ির লোক আমার মেয়ের উপর অত্যাচার শুরু করতে থাকে। কিন্তু আমার মেয়েকে যে শশুর বাড়ির লোক এই ভাবে মেরে ফেলবে সেটা কোনও দিনও ভাবিনি। আমার মেয়ের দোষীরা যেন চরম শাস্তি পায়.

প্রতীকী ছবি

এদিন পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য দেহ নিয়ে যেতে এলে পুলিশকেঘিরেও বিক্ষোভ দেখাতে থাকে এলাকাবাসী। অবশেষে ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহ নিয়ে আসা হয় সিউড়ি সদর হাসপাতালে। মেয়ের পরিবার পক্ষ থেকে শশুর বাড়ির ৪ সদস্যর নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে সাঁইথিয়া থানায়। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই পলাতক শশুর বাড়ির লোকজন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও