নয়াদিল্লি: অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা যেটা ঘটিয়েছে সেটা ‘ভয়ংকর’। ক্রিকেট আর ভদ্রলোকের খেলা নেই। অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ঘটে যাওয়া ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের মধ্যে অনভিপ্রেত ঘটনা প্রসঙ্গে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দেশের প্রাক্তন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিলদেব নিখাঞ্জ।

শুধু তাই নয়, ঝামেলায় জড়িত তরুণ ক্রিকেটারদের সবক শেখাতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আর্জি জানালেন কপিল। ক্রিকেট নিয়ে আলোচিত এক অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার বিশ্বজয়ী অধিনায়ক বলেন, কে বলেছে ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা? ক্রিকেট আর ভদ্রলোকের খেলা নেই, আগে ছিল।’ উল্লেখ্য, গত ৯ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার পোচেস্ট্রুমে হাইভোল্টেজ ফাইনাল শেষে মৌখিক বচসা এবং তা থেকে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন ভারত ও বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার।

পরবর্তীতে ম্যাচ শেষে মাঠে ঘটে যাওয়া ঘটনার তদন্ত করে ভারতের আকাশ সিং ও রবি বিষ্ণোই এবং বাংলাদেশের তৌহিদ হৃদয়, শামিম হোসেন ও রাকিবুল হাসানকে অপরাধী সাব্যস্ত করে আইসিসি। ঘটনা প্রসঙ্গে এদিনের অনুষ্ঠানে কপিল বলেন, ‘ওদের মধ্যে সেদিন যেটা হয়েছে সেটা ভয়ংকর। ক্রিকেট বোর্ডের উচিৎ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাতে আগামিদিনে এমন ঘটনা আর না ঘটে। ঘটনা প্রসঙ্গে কপিলের আরও সংযোজন, ‘ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর মাঠে ওইভাবে হাতাহাতি করার কোনও অধিকার তোমার নেই।’

ঘটনায় দু’দলের ম্যানেজার ও সাপোর্ট স্টাফেদের উপরেও বেজায় খেপেছেন কিংবদন্তি। তাঁর কথায় ক্রিকেটারদের বয়স হতে পারে মাত্র ১৮। ওরা ভুল করতে পারে। কিন্তু একজন ম্যানেজার হিসেবে পরিস্থিতি দেখভাল করা তোমার দায়িত্ব।’ প্রসঙ্গত, ম্যাচের মধ্যে ঘটে যাওয়া কিছু স্লেজিংয়ের ঘটনা শুরু থেকেই রবিবাসরীয় ফাইনালের আবহ উত্তপ্ত করতে থাকে। ম্যাচ শেষে আবেগঘন বাংলাদেশ ক্রিকেটাররা সেইসব ঘটনার রেশ ধরেই সেলিব্রেশনের নামে খারাপ আচরণ করতে থাকে বিপক্ষ ক্রিকেটারদের উদ্দেশ্য করে। চুপ থাকতে পারেনি ভারতীয় ক্রিকেটাররাও।

ম্যাচ শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে গোটা ঘটনার জন্য দলের তরফে দুঃখপ্রকাশ করে নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক আকবর আলি। উলটোদিকে ঘটনায় বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের ‘নোংরা’ মানসিকতাকেই দায়ী করেন ভারত অধিনায়ক প্রিয়ম গর্গ। প্রিয়ম বলেন, এমন ঘটনা না ঘটলেই পারত।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা