কেপ টাউন: সাংবাদিক সম্মেলনে বল বিকৃতি নিয়ে ঐতিহাসিক স্বীকারোক্তির পরেও নেতৃত্ব ছাড়তে রাজি ছিলেন না স্টিভ স্মিথ৷ তবে বাধ্য হন সরকারি চাপে৷ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া নিজেদের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চায় নি৷ তবে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্পোর্টস কমিশনের নির্দেশেই স্মিথ-ওয়ার্নারদের সরে যাওয়ার কথা বলে৷

আরও পড়ুন: বল বিকৃতির দায়ে নির্বাসিত স্মিথ

স্মিথ-ব্যানক্রফটের সাংবাদিক সম্মেলনের পরই অস্ট্রেলিয়া দলের বল বিকৃতির প্রসঙ্গ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলের কানে গিয়ে পৌঁছয়৷ তিনি তড়িঘড়ি স্পোর্টস কমিশনকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন৷ স্পোর্টস কমিশন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া মারফৎ স্টিভ স্মিথকে তৎক্ষণাৎ পদত্যাগের নির্দেশ দেয়৷ যে কারণে চতুর্থ দিনের খেলা শুরুর আগে অজি টিম ম্যানেজমেন্টের তরফে স্মিথের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়৷ পরিবর্তে কেপ টাউন টেস্টের বাকি সময়ের নেতা করা হয় মাত্র ১২টি টেস্টে মাঠে নামা উইকেটকিপার টিম পেইনকে৷

আরও পড়ুন: ‘চিটিং’ করে নেতৃত্ব ছাড়লেন স্মিথ

অস্ট্রেলিয়ান স্পোর্টস কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্মিথকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়ে দেয়৷ একই সঙ্গে কোচ লেম্যানসহ লিডারশিপ গ্রুপের বাকি সদস্য, যাঁরা বল বিকৃতির পরিকল্পনায় সামিল ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলে৷

আরও পড়ুন: মর্কেলের ধাক্কায় ধরাশায়ী অস্ট্রেলিয়া

গোটা ঘটনায় স্তম্ভিত অজি প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘বিশ্বাসই হচ্ছে না অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা এমন প্রতারনায় সামিল হতে পারে! অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেট হল রোল মডেল আর ক্রিকেট খেলাটার সঙ্গে ফেয়ার প্লে কথাটা ওতোপ্রোতভাবে জড়িত৷ জাতীয় দল কিভাবে এমন প্রতারণায় জড়িয়ে পড়তে পারে!’