স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: পোস্তা,মাঝেরহাট একের পর এক ব্রিজ বিপর্যয়ের পর এবার নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।নজরে শহর ও জেলার বিভিন্ন সেতু। উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুর উড়ালপুলের নীচের অংশে ধরা পড়েছে বিশাল অংশ জুড়ে এক ফাটল।

স্বাভাবিক ভাবেই এই চিত্র সামনে আসার পর থেকেই আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। ২০০৯ সালে বারাকপুর-বারাসাত রোডের সঙ্গে সংযোগকারী ঘোষপাড়া রোড এবং শিয়ালদা মেইন শাখার ১৫ নম্বর রেল গেটের উপরে বারাকপুর উড়ালপুল তৈরির কাজ শুরু হয়। ২০১৩ সালের ৮ই এপ্রিল উড়ালপুলটির উদ্বোধন করেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী মুকুল রায়, স্থানীয় সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী, তৎকালীন পূর্তমন্ত্রী সুদর্শন ঘোষদস্তিদার এবং খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সহ অন্যান্যরা।

কিন্তু সেতুটি তৈরির বছর দুয়েকের মধ্যেই সমস্যা দেখা দেয়। সেইসময় রেল, রাজ্য সরকারের পূর্ত দপ্তরকে দিয়ে টেন্ডার করিয়ে সংস্কারের কাজ করে।কিন্তু এবার সেই রেলের অংশেই আবার বিপত্তি। রেল লাইনের উপর যে গার্ডারটি রয়েছে তার সংযোগস্থলে একটি বিরাট অংশ জুড়ে গভীর ফাটল দেখা দিয়েছে।পর পর উড়ালপুল দুর্ঘটনার পর এই দৃশ্য রাতের ঘুম কেড়েছে নিত্যযাত্রী থেকে স্থানীয় বাসিন্দা সকলেরই।

এবিষয়ে বারাকপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান উত্তম দাস জানান,’আমি এই বিষয়ে আমাদের মহকুমাশাসকে জানিয়েছিলাম পূর্ত দফতরকে চিঠি দেওয়ার জন্য এবং তার সঙ্গে সকালেও আমার কথা হয়েছে।পূর্তদফতরের সেতুটির একটি পূর্নাঙ্গ পরিদর্শন করা উচিত। শুধু রেলের জায়গাই নয় পুরো উড়ালপুলটিই পরিদর্শন করা প্রয়োজন এখন’।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি খবর নিচ্ছি। যে ভাবে বড়বড় যানবাহন চলাচল করছে এই সেতুর উপর দিয়ে,সেটা খুবই বিপজ্জনক বলে মনে হয়। যেকোন সময় বড় ঘটনা ঘটতে পারে। তাই এর জন্য যা করার, যত তাড়াতাড়ি করা যায়, তার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত’। পৌরপ্রধান উত্তম দাস জানান,’আশা করছি দ্রুত এই সেতু সংষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা