বারাকপুর: লকডাউনের মধ্যে করোনা আক্রান্ত এলাকায় দুঃস্থদের মধ্যে খাবার বিতরন করতে গিয়ে রাজনৈতিক হামলার শিকার হলেন বারাকপুরের প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ তড়িৎ তোপদার। ভাঙচুর করা হয় তাঁর গাড়ি।

এদিন বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ তড়িৎ বরণ তোপদারের গাড়ির ওপর হামলার ঘটনা ঘটে টিটাগড় পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের এসপি মুখার্জী রোডে। প্রায় ৪০ দিন ধরে টিটাগড়ের বিভিন্ন এলাকায় আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের খাবার বিলি করছে সিপিএম।

সেই কাজের তদারকি করতেই প্রতিদিন উপস্থিত থাকেন প্রাক্তন সাংসদ তড়িৎ তোপদার। প্রতিদিনের মত মঙ্গলবারও তিনি টিটাগড় রেলস্টেশন সংলগ্ন যেখানে খাওয়ানোর ব্যবস্থা হয়েছে সেখানে যাওয়ার সময় দেখতে পান রাস্তা বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড করা রয়েছে।

তখন তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশকর্মীদেরকে জিজ্ঞাসা করেন, ব্যারিকেড কি প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে ? তখনই তাঁর গাড়ির ওপর তৃণমূল ও বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এই হামলার ঘটনায় চারজন স্থানীয় সিপিআইএম নেতা কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

এই বিষয়ে প্রাক্তন সাংসদ তড়িৎ তোপদার জানান, ওখানে ব্যারিকেড করা ছিল। সেই সময় তিনি গিয়ে দাঁড়ান। তাঁকে দেখে দলের অন্যরা এগিয়ে আসেন। ঠিক সেই সময়েই হামলা চালায় কিছু লোক। হামলাকারীরা বিজেপি এবং তৃণমূলের সমর্থক। এই গন্ডগোলের পিছনে স্থানীয় বিজেপি ও তৃণমূল নেতাদের ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ তড়িৎ তোপদারের।

অন্যদিকে, সিপিএমের অভিযোগ অস্বীকার করে স্থানীয় তৃণমূল নেতা তৃণমূল নেতা রাজেশ দাস জানান, এলাকাটি বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড করে ঘেরা ছিল। তড়িৎ তোপদার গাড়ি নিয়ে এসে বাঁশের ব্যারিকেড সরিয়ে জোর কোরে ঢোকার চেষ্টা করেন।

ওই তৃণমূল নেতা আরও জানান, এলাকায় একজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাই তড়িৎ তোপদারকে খাবার বিলি করতে বারণ করেন স্থানীয়রা। তবে তড়িৎ তোপদারের উপর হামলার ঘটনা তৃণমূলের যোগ নেই বলে দাবি শাসকদলের ওই নেতার।

এদিকে, সিপিএমের প্রাক্তন সাংসদ ও কয়েকজন বাম কর্মীর উপর হামলার দায় তৃণমূলের ঘাড়েই চাপিয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লার দাবি, তৃণমূল নেতা রাজেশ দাসের নেতৃত্বে হামলা হয়েছে। সিপিএম আর তৃণমূলের লড়াইয়ের ফলই এই হামলা। এমনই দাবি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।