স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর আক্রমণের রাস্তায় নেমেছে সিপিএম। পার্টির ওয়েবসাইটে মোদী সরকারের বিরুদ্ধ্যে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলমানদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতিবেদনে, সাফ জানানো হয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের স্বপ্ন পূরণ করতেই জম্মু ও কাশ্মীরে আর্টিকেল 370 নিষ্ক্রিয়করণের পথে হেঁটেছে মোদী সরকার।

মূল উদ্দেশ্য একটাই, ভারতে মুসলমান সংখ্যাধিক্য কোনও রাজ্য রাখতে চায় না এই সরকার। সেই কারণেই জম্মু ও কাশ্মীরকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়েছে। মুসলমানদের বিরুদ্ধ্যে সঙ্ঘ পরিচালিত বিজেপি সরকার অসমেও ষড়যন্ত্র করেছে। সেখানকার কিছু মানুষকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ বলা হচ্ছে। তারা মুসলমান। কমিউনিস্ট আক্রমণ এখানেই থেমে থাকেনি। সিপিএমের ওয়েবসাইটে সাফ জানানো হয়েছে, মোদীর আমলে সারা দেশে মুসলমানরা আতঙ্কিত।

বিজেপি, সঙ্ঘ পরিবার নির্বিচারে মুসলমানদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে। বন্দেমাতরম, জয় শ্রী রাম না বললে মারধর করা হচ্ছে, গো-মাংস ভক্ষণ করা হচ্ছে বা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এমন খবর পেলে তারা খুনও করতে পারে। প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, এক সময়কার সঙ্ঘ সুপ্রিম এমএস গোলওয়ালকরের ধারণাটি দেশ চলছে। এটি মোদীর ‘নিউ ইন্ডিয়া’ এবং গোলওয়ালকর যা চেয়েছিলেন – ভারতে মুসলমানটা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হয়ে থাকবে, মোদী সরকার সেই পথই নিচ্ছে – দাবি করেছে ওই প্রতিবেদন।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহ’র জয় মিথ্যার উত্তর দাঁড়িয়ে। ঝুটা প্রতিশ্রুতি দিয়ে জয় তুলে এনেছেন মোদী-শাহ। ভারতের কর্পোরেট সংস্থাগুলি মোদী সরকারকে ফিরিয়ে আনতে লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে। মোদী সরকার ফিরে এসেই গণতন্ত্রের কন্ঠরোধ করা শুরু করেছে। বিভিন্ন রাজ্যে টাকা দিয়ে বিধায়ক কিনে তারা সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সাম্প্রতিকতম উদাহরণ কর্ণাটক।