স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ মন্তব্যের জেরে পালটা প্রতিক্রিয়ার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। দিলীপ বলেছেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় দেশ-বিরোধীদের আখড়া। বালাকোটের মতো সার্জিক্যাল স্ট্রাইক প্রয়োজন।

দিলীপের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, দিলীপ ঘোষ দুর্বৃত্ত। যাদবপুরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে চায়। ওর মনে রাখা প্রয়োজন, ওর পার্টি আগামী প্রজন্মের উপর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালাতে চলেছে।

সোশ্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন প্লাটফর্মে দিলীপের মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় যেমন বইছে, তেমনই প্রশ্ন ওঠে গিয়েছে যাদবপুরে কি অন্য কোনও বামপন্থীরা ছাড়া অন্য কোনও রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন অনুষ্ঠান করতে পারবে না? বামপন্থীরা এবিভিপি-র অনুষ্ঠান আটকাতে গিয়েছিলেন কেন? মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে আক্রমণ করা হল।

সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই প্রথমে এই বিক্ষোভে সামিল হয়। কিন্তু, মন্ত্রী নিগ্রহের ঘটনায় এসএফআই ছিল না বলেই জানিয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসএফআই জানিয়েছিল, যারা মন্ত্রী নিগ্রহ করেছে, তারা বিজেপির হাতকে শক্ত করেছে। এসএফআইয়ের ইঙ্গিত ছিলো ‘অতি বাম’ ছাত্র সংগঠনের দিকেই। এসএফআই-কে কি পার্টি জিজ্ঞাসা করবে? সুজন বলেন, না। পার্টি এইভাবে কোনও সংগঠনকে জিজ্ঞাসা করে না।

অন্যদিকে, দিলীপের বক্তব্যের পাশে রয়েছে রাজ্য বিজেপি। পার্টির সাধারণ সম্পাদক রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কি দেশের বাইরে। সেখানে দেশ বিরোধী কার্যকলাপ চলবে আর মুখ বুজে সহ্য করতে হবে। আমরা দিলীপ’দার বক্তব্যের পাশে আছি।”

রাজু আরও বলেন, “ছাত্রীরা মন্ত্রীকে নিগ্রহ করেছে, এবিভিপি প্রথমে ভাঙচুর করেনি। প্রথমে গণ্ডগোল শুরু করে বামপন্থী ছাত্ররা। প্রতিক্রিয়া নিয়ে কথা হচ্ছে। কিন্তু, কারণ বা উৎস নিয়ে কথা হচ্ছে না।”