কলকাতা: বিদ্যুতের মাশুল নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিশেষত লকডাউন পর্বে সিইএসসি-র বিদ্যুতের বিলের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের নানা অভাব-অভিযোগ রয়েছে।

তাই বিদ্যুতের ইউনিটের স্থায়ীভাবে দাম কমানো এবং লকডাউন পর্বে বিদ্যুতের বিল মকুবের দাবি নিয়ে শুক্রবার ১৫ জানুয়ারি ভিক্টোরিয়া হাউস অভিযানের ডাক দিয়েছে সিপিএম কলকাতা জেলা কমিটি।

ওই দিন মহাজাতি সদন, সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার এবং কলকাতার নেলসন ম্যান্ডেলা পার্ক থেকে তিনটি মিছিল সিইএসসির সদর দপ্তর ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে জমায়েত করবে এবং বিক্ষোভ দেখাবে। সিপিএম কলকাতা জেলা কমিটির সম্পাদক কল্লোল মজুমদার একথা জানিয়েছেন।

করোনা সংক্রমনে শুধু স্বাস্থ্য নয় মানুষের রুজি-রুটিতেও টান পড়েছে। চাকরি হারিয়েছেন বহু মানুষ। এদিকে আবার নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হু হু করে বাড়ছে। সবদিক থেকে সাঁড়াশি আক্রমণে পড়তে হচ্ছে ।বিশেষত এই সময় গরীব মধ্যবিত্তের করুণ দশা। সেই সময় আবার মোটা অংকের বিদ্যুতের বিল পরিস্থিতি আরও জটিল করে দিয়েছে।

লকডাউনের সময় এপ্রিল থেকে জুন মিটার রিডিং না নেওয়ার অজুহাতে সিইএসসি তিন মাসের হিসাবে বড় অংকের বিল গ্রাহকদের কাছে প্রথমে পাঠিয়েছিল। সেই বিল পেয়ে গ্রাহকদের মধ্যে রীতিমতো অসন্তোষ দেখা গিয়েছিল। প্রতিবাদে পথে নেমেছিল তারা।

বিক্ষোভের চাপে সেই বিল তখন না নিলেও সিইএসসি কিস্তিতে ভাগ করে নেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু ২০০ ইউনিটের কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর বিল মুকুবের দাবি তুলেছে সিপিএম। কিন্তু সেই দাবি মানা তো দূরের কথা সিইএসসি ফের বড় অংকের বিল পাঠাতে শুরু করেছে বলে ইতিমধ্যেই গ্রাহকদের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে।

কল্লোল মজুমদারের অভিযোগ, এই বিদ্যুৎ সংস্থা মুনাফার ঘাটতি নেই ,তা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সিইএসসির পাশাপাশি তিনি শাসক তৃণমূল সরকারের দিকে আঙুল তুলেছেন।তিনি অভিযোগ করেন, বাম আমলে এই বিদ্যুৎ সংস্থাটি এভাবে মুনাফা করতে পারত না যতটা তৃণমূল আমলে করছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।