স্টাফ রিপোর্টার কলকাতা: কাশ্মীরে এখন সকলকেই এক চোখে দেখছে কেন্দ্রীয় সরকার। সকলেই জঙ্গি। বলেছেন, সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম। পলিটব্যুরো সদস্য সেলিমের বক্তব্য, সংবিধান মানা, দেশপ্রেমিকের অভাব ছিল না। অন্যদিকে, বন্দুকবাজ জঙ্গিরাও ছিল। তবে মোদী সরকারের সিদ্ধান্তে সকলেই এক পাতায়।

রাজ্যসভায় আর্টিকলে 370 এবং 36A এর বিলোপের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে সিপিএম। এছাড়া, বামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলি ৭ আগস্ট থেকে মোদী সরকারের বিরুধ্যে আর্টিকলে 370 এবং 35A নিয়ে রাস্তায় নামবে। প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাত সোমবারই তা জানিয়েছেন।

সিপিএম ইতিমিধ্যেই জানিয়েছে, মোদী সরকার ঠান্ডা মাথায় দেশের গণতন্ত্রকে খুন করেছে। দেশের ধর্ম নিরপেক্ষতার পক্ষে এই সরকার বিপদজ্জনক। ৩৭০ ধারা নিস্ক্রিয়করণ ও জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নিয়ে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে পরিণত করার পর দেশের অন্যান্য রাজ্যেও এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছে সিপিএম।

মঙ্গলবার সেলিম অবশ্য আর্টিকলে 370 এবং 35A নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। সেলিমের বক্তব্য, এত পরের উনি যা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন, তা বাংলার অগ্নিকন্য হিসাবে পরিচিত কারও থেকে আসা করা যায় না। উনি মেহেবুবা মুফতি এবং ফারুক আব্দুল্লার গ্রেফতারের কথা বলছেন। তাও এত পরে।

মঙ্গলবার মূলত সিপিএম ডিজিটালের সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন সেলিম। সিপিএম ডিজিটালের মূল কথা , ‘বন্ধু হও, বাড়াও হাত’ ভারতের রাজনীতিতে মানুষের মধ্যে বিভেদ ও বিদ্বেষ বাড়ানোর লক্ষ্যে যখন ডিজিটাল প্রচারের ব্যবহার তুঙ্গে উঠেছে তখন সম্পূর্ণ বিপরীত উদ্দেশ্যে, মানুষের ঐক্য বাড়াতে জনসাধারণের মধ্যে বাম, গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ এবং প্রগতিশীল ভাবনার প্রসার ঘটানোর লক্ষ্য নিয়ে ডিজিটাল কর্মকান্ডে স্বেচ্ছাসেবক নিযুক্ত করতে নেমেছে সিপিএম। পার্টির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে ডিজিটাল স্বেচ্ছাসেবক হতে আগ্রহীদের নাম নথিভূক্ত করতে ইতিমধ্যেই আবেদন করা হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্য থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে ডিজিটাল স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার এই আহবানে।