স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নাইট কার্ফুতে রাতের বাসযাত্রীদের জন্য কি বিশেষ কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশ্যে এই প্রশ্ন করলেন প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ মহ সেলিম। তাঁর মতে, নাইট কার্ফুর মত সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের পরিকল্পনার অভাব।

সেলিমের বক্তব্য, “আন্তরাজ্য বাস চলাচল শুরু হচ্ছে। যদি বাসের যাত্রীরা রাত ১২টায় গন্তব্যে পৌঁছয় তাহলে তারা কি করবে, সেটা কেন্দ্র স্পষ্ট জানাক।”

এই বিজ্ঞপ্তির সমালোচনা করে সেলিম বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের যে কোনও পরিকল্পনা নেই সেটা পরিষ্কার। আবার দেখবেন সরাষ্ট্রমন্ত্রক নতুন কোনও ফরমান জারি করছে।

তিনি বলেন, “এখন রমজান চলছে। অনেকে রাতে সেহেরি খেতে বেরোন। কিছু দোকান খোলা থাকে। কিন্তু উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশে সেটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রাতে তো এখন এমনিই লোকে বেরোয় না, ফাঁকা থাকে। এটা কেন করল বুঝতে পারছি না।”

কেন্দ্রকে একহাত নিয়ে সেলিম বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার বলেছিল, কোভিড মোকাবিলায় যে বিষেশজ্ঞদের নিয়ে টিম করা হয়েছিল তাঁদের কারোরই বক্তব্য শুনতে পাচ্ছি না। এখন শুধু কথা বলছেন নির্মলা সিতারমন আর অনুরাগ কাশ্যপ।”

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ রোধে লকডাউন যে শুধু বাড়ল তাই নয়, এবার থেকে শুরু হল ‘নাইট কার্ফু’-ও। রবিবার কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চতুর্থ দফার এই লকডাউনে সন্ধে সাতটা থেকে সকাল সাতটা পর্যন্ত জারি থাকবে নাইট কার্ফু।
অর্থাৎ খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ বেরোতে পারবেন না এই ১২ ঘণ্টা।

এই অতি প্রয়োজন কী কী, কতটা জোরদার ভাবে পালন করা হবে কার্ফু, তা ঠিক করবে কোনও এলাকার স্থানীয় প্রশাসন। এমনকি স্থানীয় প্রশাসন যদি মনে করে সুরক্ষার স্বার্থে ১৪৪ ধারা জারি করতে হবে, তাও করতে পারবে তারা।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১০ বছরের নীচের কোনও বাচ্চা এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক কোনও বৃদ্ধ এই সময়ে বেরোতে পারবেন না। বেরোতে পারবেন না অন্তঃসত্ত্বা কোনও মহিলা বা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এসব রোগের বাহকরা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ