তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়াঃ ‘দুয়ারে সরকারের নামে যা চলছে তা আসলে যমের দুয়ারে সরকার’। ঠিক এই ভাষাতেই শাসক দলকে বিঁধলেন সিপিআইএম নেতা আভাষ রায়চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া শহরের ময়রাবাঁধ এলাকায় দলের একটি শাখা অফিসের উদ্বোধন শেষে এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, দূর্ণীতির দায়ে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, নিরুপম সেনদের কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানোর করা বলেও সফল হয়নি।

এমনকি তাদের দলের কোন মন্ত্রী থেকে পঞ্চায়েত সদস্য কাওকেই কালীর আঁচড় দিতে পারেনি। আমরা গরীব, কৃষক, ক্ষেতমজুর, ভূমিহীন চাষী, বর্গাদারের স্বার্থে লড়াই করবো, আর যারা গরীব মানুষকে চুষে খায় তারা আমাদের ‘ছোবল’ মারবেনা তা হয়না বলেও তিনি দাবি করেন। রাজ্য রাজনীতিতে এই মুহূর্তে বহু আলোচিত ‘গুলি মারো…’কে নিয়েও বিস্ফোরক সিপিআইএম নেতা আভাষ রায়চৌধুরী।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘সমাজ বিরোধীদের কাছ থেকে এর বেশী কি আশা করা যায়! এসব শুনতেও খারাপ লাগে! তৃণমূল-বিজেপির কাছ থেকে এর বেশী কিছু আশা করা যায়না। যা চলছে তা বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে মেলেনা বলেও তিনি জানান।

এদিনের সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম বাঁকুড়া জেলা কমিটির সম্পাদক অজিত পতি সহ নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, গোলি মারো সালেকো, বিজেপির মিছিল থেকে এই স্লোগান দেওয়ার অপরাধে গ্রেফতার তিন বিজেপি যুব মোর্চা কর্মী। তাদেরকে গ্রেফতার করেছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট। এই গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, “আমরা কোনও গোলি মারার সংষ্কৃতিতে বিশ্বাস করিনা। আইন আইনের পথে চলবে। কিন্তু আমাদের ছেলেদের গ্রেফতার করল। আগের দিন ওদের ছেলেরা একই স্লোগান দিল যার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিল না পুলিশ। টালিগঞ্জে যা করল তাতে ছাড় কেন? আইন সকলের জন্যে সমান।”

নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততই রাজনীতির পারদ বাড়ছে। বাগযুদ্ধের সঙ্গে জারি রয়েছে মিছিল-পাল্টা মিছিল,স্লোগান-পাল্টা স্লোগান। কিন্তু মঙ্গলবার তৃণমূলের মিছিল থেকে গোলি মারো স্লোগান ঘিরে তৈরি হয়েছিল নয়া বিতর্ক। সেই একই ছবি দেখা যায় চন্দননগরে বিজেপির মিছিলেও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।