স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পুরভোটের আগে দল ভাঙলো সিপিএমের। শনিবার কলকাতা পুরসভার ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রীতা চৌধুরি তৃণমূলে যোগ দিলেন। কলকাতা পুরসভায় মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ঘরেই তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় তৃণমূলের পতাকা। সেই সময় মেয়র নিজেও ছিলেন। এই দলবদলের পরেই শুরু হল বিতর্ক। মেয়রের ঘরকে কেন পার্টি অফিসে পরিণত করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিরোধীরা।

উত্তর কলকাতার ৪১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে চার বার কাউন্সিলর হিসাবে জিতেছেন রীতা। শনিবার পুরসভায় শেষ মাসিক অধিবেশনে বিরোধীদের বেঞ্চে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। হাউসে অধিবেশন চলাকালীনই তৃণমূলে যোগ দিলেন রীতা।

রাজনৈতিক মহলের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রীতা চৌধুরীর পরিচয় বহু দিনের। তাঁর হাত ধরেই এ দিন তৃণমূলে যোগ দেন রীতা। এদিন, তৃণমূলে যোগ দিয়ে সিপিএমের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ করেছেন রীতা চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘‘বামেদের মধ্যে কোনও ঐক্য নেই। ছোট ছোট দলকে গুরুত্ব দেয় না। সেখানে অনেক মানসিক অত্যাচারের সম্মুখীন হতে হয়েছে আমাকে। আমি মানুষের হয়ে কাজ করতে চাই। তাই তৃণমূলে যোগ দিলাম।’’

তাঁর যোগদানকে স্বাগত জানিয়ে মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর এই উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে প্রত্যেকেই শামিল হতে চান। ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের এই যোগদান আগামিদিনে শহরের উন্নয়নকে আরও দীর্ঘায়িত করবে।’ দোলের পরই সম্ভবত পুরভোটের দিন ঘোষণা করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তার আগেই বিরোধী দলে ভাঙন শুরু হয়ে গেল।

এবার পুরভোটে বাম-কংগ্রেস আসন সমঝোতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে কিছু আসন কংগ্রেসকে ছাড়তে হবে সিপিএমকে। এই আসন ভাগাভাগিতে কয়েকজন সিপিএম কাউন্সিলরের টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা থেকেই এই সিপিএম কাউন্সিলর দলবদলের সিদ্ধান্ত নিলেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ