স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ভবানীপুর ২৩ পল্লী পুজো মণ্ডপের বাইরে শেষ পর্যন্ত স্টল দিতে পেরেছে সিপিএম। সিপিএমের দাবি, গত ৫২ বছর ধরে ওই স্টল হয়ে আসছে। এবারে পুলিশের ‘দাদাগিরি’ শুরু হয়েছে। তারা স্টল করতে দিতে চায় না। শেষ পর্যন্ত এলাকার মানুষ প্রতিবাদ করেই স্টল বসিয়েছেন। সিপিএমের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপোর বাড়ির সামনে নাকি লালঝান্ডার প্রবেশ নিষেধ।

সিপিএমের মুখপাত্র, গণশক্তিতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, পুলিশ নিরাপত্তার কথা বলে স্টল তুলে দিতে চাইছিল। কোথাও কোনও বুকস্টল করা যাবে না। কিন্তু গর্জে উঠেন এলাকার মানুষ। দিনভর বিক্ষোভের পর পুলিশের আপত্তি সত্ত্বেও স্টল চালু হয় ভবানীপুরের ২৩ পল্লীর সামনে। পার্টি সূত্রে খবর, দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর মার্কসীয় আদর্শের এই বুকষ্টল গত ৫২ বছর ধরে ভবানীপুরের ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে, ২৩ পল্লীর সামনে হয়ে আসছে। দুর্গাপুজোর সময় ওই স্টল এলাকার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠে।

পরিস্থিতি বুঝে এবারেও থেকেই প্রশাসনিক অনুমতি নিয়ে রাখা হয়েছিল। অনেক আগে থেকে পুলিশ প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দিল ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডেই নাকি কোনো বুকস্টল করা যাবে না। সেই সময় শেষ মুহূর্তে বাস বাধা হচ্ছে। এলাকার মানুষ এবং পার্টি কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। শেষ পর্যন্ত, এম জনতার দাবি মেনে নিয়েছে পুলিশ।

পার্টি সূত্রে খবর, দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর মার্কসীয় আদর্শের এই বুকষ্টল গত ৫২ বছর ধরে ভবানীপুরের ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে, ২৩ পল্লীর সামনে হয়ে আসছে। দুর্গাপুজোর সময় ওই স্টল এলাকার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি বুঝে এবারেও থেকেই প্রশাসনিক অনুমতি নিয়ে রাখা হয়েছিল। অনেক আগে থেকে পুলিশ প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দিল ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডেই নাকি কোনো বুকস্টল করা যাবে না। সেই সময় শেষ মুহূর্তে বাস বাধা হচ্ছে। এলাকার মানুষ এবং পার্টি কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। শেষ পর্যন্ত, জনতার দাবি মেনে নিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার সারাদিন বুকষ্টল নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তরজা চলেছে। তারপর চড়কডাঙ্গার মোড়ে নতুন করে বুক স্টলের উদ্বোধন করা হয়। চলে বিক্ষোভ সভা। দশমীর দিন পর্যন্তএই বুকষ্টল চলবে। সিপিএমের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এবং তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়া ভবানীপুর। তাই পুলিশের বাড়তি বাড়াবাড়ি।