কলকাতা: কেন্দ্রের এনডিএ সরকারের বেসরকারিকরণ পদক্ষেপের বিরেধিতায় খনি ও পেট্রোলিয়াম ক্ষেত্রে হরতাল সফল হতেই হাসি চওড়া হয়েছিল বামপন্থী ও কংগ্রেস নেতৃত্বের। তবে সর্বাত্মক বনধের পরিস্থিতি আলাদা। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও তামিলনাডুর বিধানসভা ভোটের আগে এই ধর্মঘট রাস্তায় শক্তি প্রদর্শন বলে চিহ্নিত হবে।

পাঞ্জাব, মহারাষ্ট্র, কেরল, রাজস্থান, ওডিশা, ছত্তিসগড় সহ বিভিন্ন অবিজেপি শাসিত রাজ্যে ধর্মঘট প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ব্যাংক, বিমা, খনি, রেল শ্রমিক ও বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রে ধর্মঘটের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বুধবার ধর্মঘট।

আইএনটিউসি, সিটু, এআইটিইউসি সহ সর্বভারতীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে। সারা ভারত কৃষক সভার নেতৃত্বে ২৬ এর ধর্মঘট সমর্থন এসেছে।

পাশাপাশি ২৭ তারিখ হবে ভারত জোড়া কৃষক প্রতিবাদ। কৃষি ক্ষেত্রকে বেসরকারিকরণ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে এর আগে বারবার বিক্ষোভে অচল হয়েছে দেশ। পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতিতে ধর্মঘট হতে চলেছে বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাস্তায় নেমে সাংগঠনিক শক্তির পরীক্ষা।

একযোগে এই ধর্মঘট পালন করছে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। ধর্মঘটের ইস্যুগুলিকে সমর্থন করেছে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিজেপির বিরোধিতায় ধর্মঘটের ইস্যু সমর্থন করলেও বনধ বিরোধিতার অবস্থান থেকে সরবে না দল। রাস্তায় নেমে তৃণমূল ধর্মঘটের বিরোধিতা করবে।বিরোধী দল

সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র জানিয়েছেন, তৃণমূল বনধের বিরোধিতা করতে রাস্তায় নামবে। এতেই স্পষ্ট বিজেপির সঙ্গে টিএমসির আঁতাত। রাজ্যের খনি শিল্পাঞ্চল এলাকা বলে পরিচিত পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ইসিএল কয়লা খনিতে ধর্মঘটের প্রভাব পড়তে শুরু করছে বলেই খবর।

পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, হাওড়ার শিল্পাঞ্চলে ধর্মঘট ঘিরে উত্তেজনা চড়ছে। কলকাতা ঘিরে চড়ছে পারদ। আর উত্তরবঙ্গের মালদহ, দুই দিনাজপুর, শিলিগুড়ি ও কোচবিহারে ধর্মঘটের প্রভাব দেখা যাবে বলেই বাম নেতৃত্বের আশা। ট্রেডইউনিয়ন গুলির দাবি,বিশেষ করে চা বলয়ে শ্রমিকরা ধর্মঘটে নামছেন।

ধর্মঘটের প্রভাবে বাম শাসিত কেরল পুরোপুরি স্তব্ধ হতে চলেছে। এখানে বিরোধী কংগ্রেস। তারা ইতিমধ্যেই সমর্থন করছে। বিজেপি শাসিত ত্রিপুরার পরিস্থিতি রীতিমতো উত্তেজনাপূর্ণ।

টানা দু দশকের বাম শাসনের পর ত্রিপুরা সিপিআইএমের হাতছাড়া হলেও বিরোধী অবস্থানে বামেরা এখানে বিশেষ শক্তিশালী। এমনিতেই শাসক বিজেপির অভ্যন্তরে ক্ষমতায় আসার আড়াই বছর পর তীব্র গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই সরব দলীয় বিধানসভা।

এই পরিস্থিতে রাজ্যে ধর্মঘট সর্বাত্মক হবে বলেই আশা বামেদের। বিরোধী নেতা মানিক সরকার রাস্তায় নেমে দলীয় কর্মসূচি পালনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।