স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মেলালেন, তিনিই মেলালেন…! ‘ভাঙা লেনিন’ মিলিয়ে দিলেন প্রকাশ কারাত আর সীতারাম ইয়েচুরিকে!

প্রতিবাদের কলকাতা, মঙ্গল (বার)-এর কলকাতায় এমনই সাক্ষী থাকল বামপন্থা৷ প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবন থেকে ধর্মতলায় লেনিন মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত সাক্ষী থাকলেন সিপিএমের নেতৃত্ব সহ হাজার হাজার বামপন্থী৷ লেনিনের মূর্তি ভেঙে কী প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে? দেশ থেকে বামপন্থা মুছে দেওয়া হবে?

আরও পড়ুন: ‘নির্দল’ তত্ত্বের আড়ালে ঘুরিয়ে ‘হাত’ ধরার বার্তা সূর্যর

এমন প্রশ্নের উত্তরে জোরাল বার্তা দেওয়া হল এ দিনেরই মিছিল থেকে৷ বিজেপি এবং আরএসএসের নামে ‘ফ্যাসিস্টে’র যে অভিযোগ ওঠে, ত্রিপুরায় লেনিন মূর্তি ভেঙে দেওয়ার ঘটনা সেই অভিযোগকেই প্রমাণ করে দিল৷ এমনই জানিয়েছেন সিপিএমের নেতৃত্ব৷ একই সঙ্গে এই বার্তাও দেওয়া হল, এ ভাবে লেনিনের মূর্তি ভেঙে যা-ই প্রমাণ করতে চাওয়া হোক না কেন, ভারত থেকে বামপন্থাকে মুছে দেওয়া যাবে না৷

ত্রিপুরায় বিজেপি পরিচালিত সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন ওই রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের সভাপতি বিপ্লব দেব৷ গত শনিবারই ত্রিপুরায় বর্তমানে কেয়ারটেকার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে ভাবী (তখনও সম্ভাব্য) মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব আশীর্বাদ চেয়েছেন পূর্বতনের৷ আর, তার পরের দিনই লেনিনের মূর্তি ভেঙে দেওয়া হল ত্রিপুরায়৷ স্বাভাবিক কারণেই, ত্রিপুরায় লেনিনের মূর্তি ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদে এককাট্টা হচ্ছেন বামপন্থীরা৷

আরও পড়ুন: ত্রিপুরায় লেনিন মূর্তি ভাঙার প্রতিবাদে মহানগরীর রাস্তায় এসইউসিআই

আর, এই প্রতিবাদের অঙ্গ হিসাবেই মঙ্গলবার বিকালে কলকাতায় প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবন থেকে ধর্মতলার লেনিন মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মিছিলে পাশাপাশি পা মেলালেন প্রকাশ কারাত এবং সীতারাম ইয়েচুরি৷ সঙ্গে ছিলেন সিপিএমের নেতৃত্ব৷ সোমবার থেকে কলকাতায় সিপিএমের তিন দিনের রাজ্য সম্মেলন চলছে৷ এই সম্মেলনও এড়াতে পারেনি প্রকাশ কারাত এবং সীতারাম ইয়েচুরির ‘বিবাদ’৷

আরও পড়ুন: বিজেপি কর্মীদের তাণ্ডবে খান খান লেনিন মূর্তি

স্বাভাবিক কারণেই, এ ভাবে পাশাপাশি প্রকাশ কারাত এবং সীতারাম ইয়েচুরিকে হাঁটতে দেখে খোদ সিপিএমেরই অনেকে এমনই মনে করছেন যে, ‘ভাঙা লেনিন’ই মিলিয়ে দিলেন ‘বিরুদ্ধ গোষ্ঠী’র প্রকাশ কারাত আর সীতারাম ইয়েচুরিকে! কেন লেনিনের মূর্তি ভাঙা হল, তার জবাব চাইছে এখন বামপন্থা৷

আরও পড়ুন: অধিকার আছে! মূর্তি ভাঙা নিয়ে বিস্ফোরক তথাগত

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।