কলকাতা : ব্রিগেডের ক্যাম্প তৈরি নিয়ে রেলের সঙ্গে বাকদ্বন্দ্বে জড়াল সিপিআইএম। অভিযোগ , ব্রিগেড সমাবেশের জন্য প্রতিবার শিয়ালদহে সিপিআইএমের ক্যাম্প করা হয়। এবার রেলের কর্তৃপক্ষ বলেছে ক্যাম্প করতে দেবে না। দোসর নাকি কলকাতা পুলিশও। এসবই আবার বিজেপি ও তৃণমূলের ষড়যন্ত্র বলে জানাচ্ছে বামেরা।

দাবী করেছেন, রেল বিজেপির মানে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দলের। পুলিশ রাজ্যে ক্ষমতাসীন দলের। এই দুই দলে রাজনৈতিকভাবে চেষ্টা করছে যাতে বামেদের ব্রিগেড আটকানো যায়। তাই প্রত্যেক বছর ব্রিগেডের জন্য শিয়ালদহে সিপিআইএমের ক্যাম্পে বাধা না থাকলেও ভোটের মুখে বামেদের বেকায়দায় ফেলতে এমন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। তবে বামেরা এই বিষয়ে একেবারেই নাছোড়বান্দা। জানানো হয়েছিল , ‘শিয়ালদহে ক্যাম্প হবে। শুক্রবার সাড়ে ১১.৩০টাতেই ক্যাম্পের বাঁশ বাঁধার কাজ হয়। আজ ২৭ ফেব্রুয়ারী বেলায় ক্যাম্পের উদ্বোধন হবে। উপস্থিত থাকবেন CPI(M) কলকাতা জেলার সম্পাদক রাজ্য সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য কমরেড কল্লোল মজুমদার।’ তবে রেল কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।

ব্রিগেড ময়দানের একপ্রান্তে দূর জেলা থেকে আসা হাজার হাজার সমর্থককে সাময়িক ভাবে রাখতে চলেছে বামেরা। একদা ময়দানের যে অংশে বইমেলা হতো, সেখানে ক্যাম্প করে এই সমর্থকদের রাখা হবে। অন্তত ৮-১০ হাজার বাম কর্মী-সমর্থক ব্রিগেডে রাত্রিবাস করবেন।

রবিবার বাম-কংগ্রেসের যৌথ ব্রিগেড সমাবেশ। ফুরফুরা শরিফের পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট সমাবেশে থাকবে। বাম-কংগ্রেস নেতৃত্ব ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন ‘ঐতিহাসিক সমাবেশ’ হতে চলেছে। অনেক আগে থেকেই উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের দূর জেলার সমর্থকদের কলকাতায় রাখতে প্রস্তুতি শুরু করেছে বামেরা। কংগ্রেসও উত্তরবঙ্গের কর্মী সমর্থকদের কলকাতায় রাখার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। শিয়ালদহ স্টেশনের কাছেই আবার একটি বড় হল বুক করেছে কংগ্রেসও। ইডেন গার্ডেন্সের পাশেও একটি জায়গায় কর্মী-সমর্থকদের রাখার পরিকল্পনা করেছে তারা। এছাড়া বড়বাজার-সহ মধ্য কলকাতায় একাধিক গেস্ট হাউস ও ধর্মশালা বুক করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। ব্যবস্থা হয়েছে হাওড়াতেও।

সাধারণত ব্রিগেডের আগের দিন দুপুর থেকেই দূর জেলার কর্মী-সমর্থকরা কলকাতায় আসতে শুরু করেন। এবার রবিবার ব্রিগেড। তাই শনিবার থেকেই বাম কর্মী-সমর্থকরা কলকাতায় আসবেন। শনিবার দুপুর ও রাতের খাবার, রবিবার সকালের টিফিন এবং দুপুরের খাবারের আয়োজন করেছে সিপিএম। পুরোপুরি প্যাকেট বন্দি খাবার পরিবেশন করা হবে। প্রতি বেলার খাবারের জন্য কলকাতার ৪০টি এরিয়া কমিটির প্রতিটি কমিটিকে ৩০০ প্যাকেট খাবার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।