কলকাতা: আবারও কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসকদলকে একাসনে বসিয়ে তুলোধনা বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীর। সম্প্রতি দিল্লিতে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনার সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে সীতারাম ইয়েচুরি, যোগেন্দ্র যাদবের নাম উল্লেখ করেছে পুলিশ।

সুজন চক্রবর্তীর দাবি, সংসদের দুই কক্ষে পর্যাপ্ত শক্তি ও এরাজ্যেও তৃণমূল শাসন ক্ষমতায় থাকলেও দলের তরফে উল্লেখযোগ্যভাবে কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচি হয়নি। এই প্রেক্ষিতেই এদিন টুইটে বিজেপি ও তৃণমূলকে কটাক্ষ করে সুজন চক্রবর্তী লেখেন, ‘‘দিদিভাই-মোদিভাই বোঝাপড়া স্পষ্ট’’।

দিল্লিতে সাম্প্রদায়িক হিংসায় সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি, যোগেন্দ্র যাদব-সহ একাধিক প্রথম ব্যক্তিত্বের নাম সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে উল্লেখ করেছে পুলিশ। ষড়যন্ত্রকারী হিসেবেই তাঁদের নাম চার্জশিটে তোলা হয়েছে বলে দাবি দিল্লি পুলিশের।

চার্জশিটে ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে ইয়েচুরি ছাড়াও অর্থনীতিবিদ জয়তী ঘোষ, স্বরাজ পার্টি প্রধান যোগেন্দ্র যাদব, পরিচালক রাহুল রায়, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অপূর্বানন্দেরও নাম রয়েছে। সিএএ বিক্ষোকারীদের উস্কানি দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করেছিলেন এঁরা, এমনই অভিযোগ দিল্লি পুলিশের।

এই প্রসঙ্গে কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসকদলকে তুলোধনা করে সুজন চক্রবর্তী টুইটে লিখেছেন, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমানে এমএলএ ২২২জন। এমপি লোকসভার ২২, রাজ্যসভার ১৩ জন। একজনও ভুল করেও দিল্লিতে যোগেন্দ্র যাদব, জয়তি ঘোষদের ফাঁসানোর চেষ্টার বিরুদ্ধে বা উমর খালিদদের গ্রেফতারি নিয়ে একটা কথাও বলল না! কেন? কাকতালীয়, নাকি ওপর মহলের নির্দেশ? দিদিভাই-মোদিভাই বোঝাপড়া স্পষ্ট।’’

যদিও দিল্লির দাঙ্গায় ইয়েচুরি, যোগেন্দ্র যাদবদের নাম চার্জশিটে উল্লেখ করার ঘটনায় দিন কয়েক আগেই মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের কড়া সমালোচনা শোনা গিয়েছিল তাঁর মুখে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘‘দিল্লির দাঙ্গায় সীতারাম ইয়েচুরিদের নাম জড়িয়ে দিল। যারা দাঙ্গা করল তাদের নাম নেই কেন।’’

তবে এই মন্তব্য করা ছাড়া দলের তরফে দিল্লির দাঙ্গা ইস্যুতে পুলিশের চার্জশিটে ইয়েচুরি, যোগেন্দ্রদের নাম রাখার প্রতিবাদে জোরালো কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচির বার্তা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।