স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: প্রশাসনের কাছে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রবেশ করার অনুমতি চাইলেন সিপিএমের সাগারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিককে তিনি চিঠি লিখে জানিয়েছেন, জম্মু ও কাশ্মীরে সিপিএমের সক্রিয় শাখা রয়েছে এবং বিধানসভায় (যা এখন নিষ্ক্রিয়) এক বিধায়ক রয়েছে। সিপিএমের সেই বিধায়ক মহম্মদ ইউসুফ তারিগামী এবং বাকি সিপিএম সদস্যরা কী অবস্থায় রয়েছেন তা দেখার জন্য সীতারাম শুক্রবার শ্রীনগর যেতে চান। এই অবস্থায় প্রশাসন যেন তাঁকে না আটকায়, তা নিশ্চিত করা হোক। সীতারামের বক্তব্য, তারিগামী অসুস্থ। দলের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে সেটা তিনি জেনেছেন। সেক্ষেত্রে তার সঙ্গে দেখা করাটা খুবই প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবারই রাজ্যসভায় বিরোধীদলনেতা গুলাম নবি আজাদ কাশ্মীরে কংগ্রেসের নেতাদের দেখতে শ্রীনগরে গিয়েছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের কংগ্রেস সভাপতি গুলাম আহমেদ মীর। কিন্তু শ্রীনগর বিমানবন্দরে তাদের আটকানো হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে সীতারামের কাশ্মীর গমন ইঙ্গিতবাহী। প্রসঙ্গত, সীতারাম ইয়েচুরির নেতৃত্বে সিপিএম সারা দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু করেছে। জম্মু ও কাশ্মীরে আর্টিকেল 370 এবং 35A নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নানান মতামত জানিয়েছে। সিপিএম রাজ্যসভায় এই ধারা নিষ্ক্রিয় করণের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে।

বামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলি ৭ আগস্ট থেকে মোদী সরকারের বিরুধ্যে আর্টিকলে 370 এবং 35A নিয়ে রাস্তায় নামাছে। প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাত সোমবার জানিয়েছিলেন, মোদী সরকার ঠান্ডা মাথায় দেশের গণতন্ত্রকে খুন করেছে। দেশের ধর্ম নিরপেক্ষতার পক্ষে এই সরকার বিপদজ্জনক।

দিল্লিতে বুধবারই সীতারাম ইয়েচুরি বলেছিলেন, মোদী সরকার একসময় বলেছিল, কাশ্মীরে নির্বাচন করবে। দেখা গেল, কাশ্মীরি নেতাদের গ্রেফতার করে সংসদে আর্টিকেল 370 এবং 35A আইনকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অবাক লাগছে, কাশ্মীর চাই। কাশ্মিরীদের চাই না। এযেন মনে হচ্ছে সরকার ইসরাইলের ‘প্যালেস্টাইন’ ফর্মুলা নিয়েছে মোদী সরকার। কাশ্মীর কি ‘গাজা ভূখন্ড’ নাকি? তবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়, প্রধানমন্ত্রী সরা ভারতকে বলেছেন, কাশ্মীর উন্নয়নে মুড়ে ফেলা হবে। কাশ্মীরে ভোট হবে। বারতের মূল স্রোতে ফিরবে কাশ্মীর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.