দেবময় ঘোষ, কলকাতা: ফেব্রুয়ারির ৩ তারিখ সিপিএমের ব্রিগেড৷ ততদিনে লোকসভা নির্বাচনের দামামা বেজে যাবে৷ তবে ব্রিগেডের মঞ্চে কমরেডদের বক্তব্য শুরুর দু’মাস আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্রিগেডের সূচনা করতে চলেছে সিপিএম৷ বঙ্গ মার্কসবাদীদের এই ব্রিগেড হবে জনতার ব্রিগেড৷ সেই কারণেই, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করার জন্য হ্যাসট্যাগও তৈরি হয়ে গিয়েছে – #PeoplesBrigade.

শহর থেকে জেলায়-জেলায়, মিটিং-মিছিল-ধর্নায় সিপিএমের তরুণ প্রজন্ম নতুন ভূমিকা নিচ্ছে৷ ভোটের মেশিনে পার্টি যতই পিছিয়ে পড়ুক না কেন- গণআন্দোলন, লড়াই-সংগ্রামে রাস্তা রাঙিয়ে দিতে ভূমিকা নিচ্ছেন বাম যুবশক্তি৷

কিছু পাওয়ার স্বার্থে নয়- যুক্তিবাদী-অসাম্প্রদায়িক-দূর্নীতি বিরোধী তরুণ প্রজন্ম নির্বাচনের ফলাফল না দেখেই বামপন্থার মারা গাঙে জোয়ার এনেছে৷ তা বোঝা নিয়েছে সাম্প্রতিক মিটিং মিছিলগুলি দেখেই৷ সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া৷ যা প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্র বা নিউজ চ্যানেলের উদ্দেশ্যমূলক প্রচারের বিরুদ্ধে একটি সমান্তরাল ব্যাকরণ হিসেবেই উঠে এসেছে৷ নিজেদের বক্তব্য পেশ করতে আর জনপ্রিয় চ্যানেলের আশ্রয় নিতে হয় না৷ একটা ‘ফেসবুক লাইভ’-ই যথেষ্ট৷ সিপিএমের তরুণ প্রজন্ম প্রচারের কাজে বেশ ভালোই ব্যবহার করছে ফেসবুক, ট্যুইটার, ইউটিউবকে৷

ফেব্রুয়ারির ৩ তারিখের ব্রিগেডকে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচারের জন্য শুধুমাত্র হ্যাসট্যাগ তৈরি করেই বসে থাকছে না সিপিএম৷ ব্রিগেড সম্পর্কে আমজনতার মতামত, হাতে তৈরি পোস্টার, গ্রাফিক্স, কবিতা, গান, অথবা এলাকায় প্রচারের ছবি তুলে #PeoplesBrigade সহযোগে সিপিএমের ফেসবুক, ট্যুইটার, হোয়াটস্ অ্যাপে পাঠাতে অবেদন করা হচ্ছে৷ ফেসবুকে CPIM West Bengal পেজে কিংবা @CPIM_WestBengal টুইটার হ্যান্ডেলে বা 8017921866 হোয়াটস্ অ্যাপ নম্বরে পোস্টার, গ্রাফিক্স, কবিতা, গান পাঠানো যেতে পারে৷

যদি নিজের মধ্যে কোনও শিল্পীকে নাও খুঁজে পান, তবে হোয়াটস্ অ্যাপে ১ মিনিটের ভিডিও বার্তা দিয়ে শুধুমাত্র জানাতে পারেন – আপনি কেন ব্রিগেডে আসতে চান৷ ব্রিগেড নিয়ে আপনার কোনও ‘না ভুলতে পারা’ স্মৃতি জানাতে পারেন ওই ১ মিনিটের মধ্যেই৷ চলবে, যদি আপনি নাম প্রকাশ করতে না চান৷ আপনার ‘সৃষ্টি’পার্টি নিজের ফেসবুক পেজ, ট্যুইটার বা ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে লক্ষ জনতার কাছে পৌঁছে দেবে৷