ফাইল ছবি।

কলকাতা: হুগলির পুরশুড়ার জনসভা থেকে বিজেপির পাশাপাশি সিপিএম-কংগ্রেস এর বিরুদ্ধেও সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়৷ মমতার দাবি, সিপিএম ও কংগ্রেসের সমর্থনে বিজেপি এসেছে রাজ্যে৷ পাল্টা বক্তব্য শাসক বিরোধী দলগুলির৷

বাংলায় বিজেপিকে আনার জন্যে দায়ী যে তৃণমূলই! বারবার তা মানুষের সামনে তুলে ধরছেন অধীর-সূর্যরা। যদিও দমদমের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, তৃণমূল কখনই বিজেপিকে আনেনি৷

এদিকে আসন্ন বিধানসভা ভোটে সিপিএম-কংগ্রেস কে জোট বেঁধে লড়াইয়ের ময়দানে দেখা যেতে পারে৷ ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে যৌথ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নির্বাচনী কার্যকলাপে গতি বাড়াচ্ছে বাম-কংগ্রেস।

জোটকে আরও সঙ্ঘবদ্ধ করতে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে যৌথ সমাবেশের ভাবনা। সবকিছু ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ রবিবার ব্রিগেড সমাবেশ ডাকছে বামফ্রন্ট। বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের সর্ব স্তরের কর্মীদের অক্সিজেন দেওয়ার পাশাপাশি শক্তিপ্রদর্শন করতে বড় সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ফ্রন্টের বড় শরিক সিপিএম। সেই সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছে বাকি আটটি শরিকদলও।

অন্যদিকে এদিন নাম না করে দলত্যাগী ও ‘বেসুরো’দের কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সভা থেকে তৃণমূল নেত্রীর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি,‘যারা যারা লাইন দিয়ে আছ, তাড়াতাড়ি চলে যাও৷ ট্রেন ছেড়ে দেবে। ইচোর-এঁচোড়রা সব পালিয়ে যাও। ওদের পায়ে গিয়ে পড়। বিজেপিতে গিয়ে চুরির টাকা রাখ। টাকা করেছ, তাই বিজেপির ঘরে রাখতে যাচ্ছ।যারা যারা যাচ্ছ, তাদের আর আমরা নেব না।কারণ, কাকে কাকে নিতে হয় আমরা জানি।’

দলনেত্রীর সাফ কথা, ‘বাংলা তোমাদের চায় না। তৃণমূল তোমাদের চায় না। তৃণমূলে টিকিট পাবে না বুঝেই দলবদল করেছ। কেন তোমাদের টিকিট দেবে? তোমরা তো মানুষের জন্য কাজ করনি! কেউ চলে গেলে যায় আসে না। আমরাই ছিলাম, আর আমরাই থাকব।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।