নয়াদিল্লিঃ  আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তার মধ্যেই মোটামুটি পরিষ্কার হয়ে যাবে যে, দিল্লির ক্ষমতায় কে আসছে। যদিও এক্সিট পোল বলছে যে, বিপুল আসন নিয়ে ফের ক্ষমতায় আসছেন মোদীই। সংখ্যাগরিষ্ঠের থেকেও বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতার মসনদে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই। তবু ও আসল ফলাফল প্রকাশ্যে না আসা পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না।

তবে সপ্তম এবং শেষ দফা ভোটের পরেই এক্সিট পোলের যে পূর্বাভাস পাওয়া গিয়েছে তাতে উচ্ছ্বসিত বিজেপি নেতা কর্মীরা। যদিও এখনও সেই অর্থে মোদী-অমিত শাহ শিবিরে সেই অর্থে কোনও উচ্ছ্বাস ধরা পড়েনি। যদিও এক্সিট পোলের পূর্বাভাস দেখে রীতিমত ঘর গুছাতে শুরু করেছেন মোদী-অমিত শাহরা।

একদিকে যখন বুথ ফেরত সমীক্ষা নিজেদের জয়জয়কার দেখে ঘর গুছাতে শুরু করে দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব তখন কর্মীদের ভেঙে না পড়ার বার্তা দিচ্ছে কংগ্রেস। শুধু তাই নয়, কোনও সুযোগ যাতে বিজেপিকে না ছাড়া হয় সেজন্যে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। রাজনৈতিকমহলের মতে, দেশে গেরুয়া ঝড়ের আভাশে কার্যত কোনঠাসা মহাজোট। এই অবস্থায় নিজেদের অবস্থান নিয়ে সন্দিহান বামেরা।

সবার মুখে একটাই মন্তব্য, আগামিকাল বৃহস্পতিবার ভোটের ফলাফল দেখেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এই ভোটে যে বামেদের অবস্থা আরও শোচনীয় হবে তা কার্যত বুঝে গিয়েছেন সিপিআই নেতা ডি রাজা-ও। তিনি জানান, এ বারের লোকসভা নির্বাচনে বামদের সবচেয়ে শোচনীয় পরিস্থিতি হতে পারে। ২৩ মে-র পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বামেদের কী ভূমিকা হওয়া উচিত।

শুধু তিনিই নয়, আগামিদিনেই যে নিজেদের অবস্থা স্পষ্ট করা হবে তা কার্যত মেনে নিয়েছেন সিপিএম-র সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরিও। তিনি বলেন, এটা স্পষ্ট ২৩ মে পরই বিরোধীদের জোট এবং রণকৌশল নির্ধারণ করা হবে। তবে কেন্দ্রে যে ধর্মনিরপেক্ষ সরকারই হতে চলেছে বলে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত আশাবাদী ইয়েচুরি। তিনি বলেন, ফলাফল বেরনোর পরই পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সিপিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক এস সুধাকর রেড্ডি তো স্পষ্টই জানিয়ে দেন, কোনও দল সংখ্যা গরিষ্ঠতা না পেলে বিরোধী আসনে বসবে সিপিআই।