নয়াদিল্লি: করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের আক্রমণের জেরে বিভিন্ন রাজ্যে লকডাউন শুরু হয়েছে। বাংলায়ও শুরু হয়েছে প্রায় লকডাউন। এমতাবস্থায় আমূল পরিবর্তন হল ভ্যাকসিন(Vaccine) রেজিস্ট্রেশনের সরকারি পোর্টাল কো-উইনে। ভ্যাকসিনের দুই ডোজের মধ্যে ব্যবধান বাড়ার কারণেই কো-উইন (Co-Win) পোর্টালে নিয়ম বদল করল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। প্রথম ডোজ নেওয়ার পর ৮৪ দিন উত্তীর্ণ না হওয়া অবধি দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া যাবে না, জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। নির্দিষ্ট সময়ের আগে কো-উইন পোর্টাল মারফত ২য় ডোজের জন্য যাতে নাম নথিভুক্তি না হয়, তার ব্যবস্থা তড়িঘড়ি সেরে ফেলল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। স্বভাবতই এর ফলে নাগরিকদের হয়রানি যে কিছুটা হলেও কমবে, সে সম্বন্ধে নিশ্চিত প্রত্যেকেই।

অন্যদিকে কোভিশিল্ডের(Covishield) ডোজ সম্পর্কিত নতুন নিয়ম চালু করার আগেই যারা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার জন্যে নাম লিখিয়ে ফেলেছেন তাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রক থেকে আর্জি জানানো হয়েছে যাতে তাঁরা প্রথম ডোজ নেওয়ার ৮৪ দিন পরেই ভ্যাকসিন নেন। এক্ষেত্রে নতুন করে টিকাকরণের সময় নির্ধারণ করতে হবে নাগরিকদের। ভ্যাকসিনের দিনক্ষণ ‘রিশিডিউল’ করার পরেও যাতে টিকা পেতে কোনোরকম সমস্যায় না পড়েন নাগরিকরা, তা দেখার দায়ভার রাজ্য প্রশাসনগুলির উপর ছেড়ে দিয়েছে কেন্দ্র। এছাড়া বলা হয়েছে শীঘ্রই হিন্দি ও অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষাতেও এই কো-উইন পোর্টালে নাম রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।

মারণ ভাইরাস করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে এতদিন ভারতের দুই অন্যতম প্রধান হাতিয়ার ছিল ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন(Covaxin) ও সিরাম ইন্সস্টিটিউটের কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন । কিন্তু এবার তাদের সঙ্গে নতুন সংযোজন রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন স্পুটনিক-ভি। কো-উইন পোর্টালে এবার এই টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশনও শুরু হয়ে গেল। যার জেরে করোনা যুদ্ধে নতুন আশার আলো দেখা যাচ্ছে স্বাস্থ্য মহলে। শুক্রবারই ভ্যাকসিনটি হায়দরাবাদে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে হায়দরাবাদের জুবিলি হিলসে অ্যাপলো হাসাপাতালেই স্পুটনিক ভি-র প্রথম টিকাকরণ শুরু হয়েছে। টিকা পাচ্ছেন শুধুমাত্র ৪৫ উর্ধ ব্যক্তিরাই। তবে এখন থেকে পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের সময় এখন কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিনের সঙ্গে স্পুটনিক-ভি-কেও নিজের পছন্দের টিকা হিসাবে বাছতে পারবেন গ্রহীতারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.