কর্নেলের এই বাড়ি সিল করে দেওয়া হয়েছে।
কর্নেলের এই বাড়ি সিল করে দেওয়া হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: গরু পাচার রুখতে রাজ্যজুড়ে অভিযানে নামল সিবিআই। কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে তল্লাশি। গরু পাচারে নাম জড়ানো এক বিএসএফ কর্নেলের বাড়ি সিল করা হয়েছে। রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলি দিয়ে বাংলাদেশ গরু পাচার করার অভিযোগ বহুদিনের।

উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক সীমান্তবর্তী জেলায় বসবাসকারী মানুষজন গরু পাচারকারীদের অত্যাচারে নাজেহাল। বুধবার সকাল থেকেই কলকাতার রাজারহাট, সল্টলেক, তপসিয়া, মুর্শিদাবাদ, বহরমপুর, লালগোলা, শিলিগুড়ি-সহ রাজ্যের ১৫ জায়গায় অভিযান চালায় সিবিআই।

সল্টলেকের সিটি সেন্টার টু’র পাশেই বিএসএফের কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমারের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়।বর্তমানে ওই বিএসএফ কমান্ড্যান্ট কর্মসূত্রে কর্ণাটকে থাকেন। তবে সূত্রের খবর, এর আগে সীমান্ত এলাকায় কাজ করতেন তিনি।

সেই সময় গরু পাচারের ক্ষেত্রে নানাভাবে সাহায্য করেছিলেন সতীশ কুমার। তাঁর বাড়ি থেকে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। যা তদন্তে নতুন ককে দিশা দেখাতে পারবে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। তল্লাশির পর এদিন তাঁর বাড়ি সিল করা হয়েছে বলে খবর।

কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার নজরে ইমামুল হক নামে আরও এক পাচারকারী রয়েছে। গরু পাচার মামলায় এর আগে মুর্শিদাবাদ থেকে তাকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। পরে অবশ্য সে ছাড়া পায়।

ইমানুল হককেই আবারও খুঁজছে সিবিআই। অফিসারেরা মনে করছেন, তার কাছ থেকেই মিলতে পারে আরও তথ্য। এর পেছনে বড় কোনও প্রভাবশালী মাথা যুক্ত আছে কিনা, তাও দেখা হচ্ছে।

এদিন ইমামুলের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই এই গরু পাচারকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছে সিবিআই। জেরাও করা হয়েছে বেশ কয়েক জনকে।

কর্নেলের এই বাড়ি সিল করে দেওয়া হয়েছে।
কর্নেলের এই বাড়ি সিল করে দেওয়া হয়েছে।

তার পরই এই তল্লাশি অভিযান। কোন কোন এলাকা থেকে গরু পাচার হয় কিভাবে হয় এবং কাদের যোগসাজশে হয় সেই বিষয়টাকে খতিয়ে দেখেই তদন্ত করছে সিবিআই।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।