নয়াদিল্লি: বড়সড় ঘোষণা। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই সম্ভবত তৈরি হয়ে যেতে পারে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা ভ্যাকসিন। ভারতে এই ভ্যাকসিনের ওপর কাজ করছে সেরাম ইনস্টিটিউট। অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড ডিসেম্বর মাসের মধ্যে তৈরি হয়ে যেতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সেরাম প্রধান আদর পুনাওয়ালা।

ডিসেম্বরের শুরুতেই যদি অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের তৃতীয় ট্রায়ালের ফল পজিটিভ হয়, তবেই ভ্যাকসিন বাজারে অনুমোদনের পরেই নিয়ে আসা হবে বলে সেরাম জানিয়েছে। যতগুলি ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্বে কাজ হচ্ছে, তার মধ্যে অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিনটি সবথেকে বেশি কার্য়করী ও নিরাপদ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অধীর আগ্রহে অপেক্ষা চলছে করোনার ভ্যাকসিনের জন্য। সেই পরিস্থিতিতেই আশার আলো দেখাচ্ছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে বর্তমানে। সূত্রের খবর নভেম্বরের শেষে অথবা ডিসেম্বরের শুরুতেই এই ট্রায়ালের ফল মিলবে। প্রকাশ্যে আসবে তৃতীয় দফার ট্রায়ালের বিস্তারিত তথ্য।

একই ভাবে জানা যাবে সেরাম ইনস্টিটিউটের তত্বাবধানে তৈরি হওয়া ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ফলও। সেপ্টেম্বর মাসের শেষ থেকে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। পুনেতে শুরু হয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল। তৃতীয় পর্যায়ের হিউম্যান ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করেছে পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট। স্যাসুন জেনারেল হসপিটালে এই তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছে বলে খবর।

এর আগে পুনাওয়ালা জানিয়ে ছিলেন ২০২১ সালের প্রথম তিন মাসের মধ্যেই ১০০ মিলিয়ন ভ্যাকসিন প্রস্তুত হয়ে যাবে। অবশ্য উল্লেখ্য সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান দাবি করেন করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কার হওয়ার পরেও সবাই তা নাও পেতে পারেন।

গোটা বিশ্বে মাস ভ্যাকসিনেশন প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লেগে যেতে পারে কমপক্ষে চার থেকে পাঁচ বছর। ২০২৪ সাল পর্যন্ত ভ্যাকসিনের যোগানে কিছুটা হলেও ঘাটতি থাকবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন সেরাম কর্তা। পুনাওয়ালা জানান বিশ্বের সব মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রগুলির হলেও, বিপুল জনসংখ্যা এই কাজে ব্যাঘাত ঘটাবে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।