চেন্নাই: কোভিশিল্ড নিয়ে এবার ধাক্কা কেন্দ্রের। পুণের সেরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি করোনার এই ভ্যাক্সিনের কার্যকারীতা নিয়ে এবার বড়সড় প্রশ্ন তুলেদিল আদালত। খোদ আদালতই এই ভ্যাক্সিনটি ‘নিরাপদ নয়’ বলে কেন্দ্রীয় সরকারকে ঘোষণা করতে নির্দেশ দিয়েছে। চেন্নাইয়ের এক ব্যক্তির মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট।

গত ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে করোনার টিকাকরণ অভিযান। জরুরি ভিত্তিতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার এই ভ্যাক্সিনকে ছাড়পত্র দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতে এই ভ্যাক্সিনটি বানাচ্ছে পুণের সেরাম ইন্সটিটিউট। ইতিমধ্যেই দেশের ১ কোটি মানুষকে করোনার টিকা হিসেবে ‘কোভিশিল্ড’ দেওয়া হয়েছে। চেন্নাইয়ের এক যুবক জানিয়েছেন, ট্রায়াল রানে কোভিশিল্ড টিকা নেওয়ার পর তাঁর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কোভিশিল্ড নিরাপদ ভ্যাক্সিন নয় বলে দাবি করে মাদ্রাজ হাইকোর্টে মামলা করেন ওই ব্যক্তি।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভ্যাক্সিন প্রস্তুতকারী সংস্থা সেরাম ইন্সিটিটিউট অক্সফোর্ড-আস্ট্রাজেনেকার এই কোভিশিল্ড ভ্যাক্সিন তৈরি করছে। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশজুড়ে প্রথম এই ভ্যাক্সিনটির প্রয়োগ শুরু হয়। তারপর শুরু হয়েছে কোভ্যাক্সিনের প্রয়োগ। হায়দরাবাদের সংস্থা ভারত বায়োটেক ও আইসিএমআর-এর তৈরি এই ভ্যাক্সিনটিও জোরকদমে দেওয়া চলছে করোনাযোদ্ধাদের। প্রথম পর্বে দেশের ৩ কোটি করোনাযোদ্ধাকে টিকা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দেশজুড়ে পঞ্চাশোর্ধদের টিকাকরণ শুরু হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।

তবে কোভিশিল্ড নেওয়ার পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ায় ওই ব্যক্তির করা মামলায় নড়েচড়ে বসেছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। কোভিশিল্ড ‘নিরাপদ নয়’ বলে কেন্দ্রীয় সরকারকে ঘোষণা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও মাদ্রাজ হাইকোর্টের এই নির্দেশ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশও আদালতের এই নির্দেশ নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। এদিকে, পুণের সেরাম ইন্সটিটিউটের তরফে দাবি করে জানানো হয়েছে, তাঁদের তৈরি কোভিশিল্ড ভ্যাক্সিনটি সম্পূর্ণ নিরাপদ। এটির প্রয়োগে কোনও বিপত্তি হয় না। চেন্নাইয়ের যে ব্যক্তির শরীরে কোভিশিল্ড নেওয়ার পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়েছে, সেই ঘটনাটিকে দুর্ভাগ্যজনক বলে আখ্যা দিয়েছে সেরাম।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.