নয়াদিল্লি: কিছুতেই রোধ করা যাচ্ছে না মারণ করোনাকে। দিন যতই যাচ্ছে ততই যেন আরও মারাত্মক হয়ে উঠছে অদৃশ্য এই ব্যাধির দাপট। অব্যাহত মৃত্যু মিছিল। আর এই করোনা সংক্রমণে ভারতে আক্রান্ত ও মৃতের গ্রাফচিএ যখন ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে ঠিক তখনই নতুন করে আশঙ্কার কথা শোনালেন একদল গবেষক। দফায় দফায় লকডাউনেও বশে আনা যাচ্ছে না মারণ এই ব্যাধিকে। এমত অবস্থায় আইসিএমআর-এর গবেষকরা জানাচ্ছেন যে, আগামী নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে করোনা আক্রান্তের শীর্ষে পৌঁছে যাবে আমাদের দেশ ভারত।

আর এই অবস্থায় করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য দরকার প্রচুর ভেন্টিলেটর,আইসিইউ ওয়ার্ড। কেননা করোনা আক্রান্ত রোগীদের প্রধান উপসর্গই হল জ্বর এবং শ্বাসকষ্ট। সমীক্ষা বলছে, নভেম্বরের সময় আক্রান্তের সংখ্যা এতটাই বেড়ে যাবে যে ভেন্টিলেটর সহ অন্যান্য চিকিৎসা সামগ্রী রীতিমত কম পড়ে যাবে। অন্যদিকে, করোনা আক্রান্ত রোগীকে বাঁচাতে হলে ও আক্রান্তের ফুসফস সচল রাখতে আইসোলেশন ওয়ার্ড,ভেন্টিলেটরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম আবশ্যক।

গবেষকরা মনে করছেন, এই অবস্থায় দফায় দফায় লকডাউন জারি রাখলেও ঠেকানো যাবে না সংক্রমণ। যদিও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তৎপর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। আইসিএমআর-,এর গবেষকরা জানিয়েছেন, দেশে লকডাউন কার্যকর হওয়ার ৩৪ থেকে ৭৬ দিনের মধ্যে করোনা সংক্রমণের শিকার প্রায় ৬৯ থেকে ৯৭ শতাংশ মানুষ। আর এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ছয় থেকে সাত মাস পর সংক্রমণের শীর্ষে পৌঁছে যাবে আমাদের দেশও।

এই অবস্থায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ৬০ শতাংশের চিকিৎসার জন্য দরকার হবে প্রচুর ভেন্টিলেটর মেশিন,আইসিইউ বেড এবং আইসোলেশন ওয়ার্ড। বর্তমানে দেশে যা চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট অপ্রতুল। ফলে নভেম্বর মাসের আগেই দেশে পর‍্যাপ্ত পরিমাণে এই সমস্ত চিকিৎসার সরঞ্জাম মজুত রাখতে তৎপর সরকার।

এদিকে গত চব্বিশ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছুঁয়েছে ১১,৯২৯। রবিবার পর্যন্ত গোটাদেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিলো ৩,২০,৯২২জন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশে মোট করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ছুঁয়েছে ৯,১৯৫। শুধু তাই নয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে আরও জানানো হয়েছ, সারাদেশে এখনও পর‍্যন্ত মোট কোভিড হাসপাতালের সংখ্যা ৯৫৮ টি।

প্রতীকী ছবি

আইসোলেশন ওয়ার্ড রয়েছে ১,৬৭,৮৮৩টি। ২১,৬১৪টি আইসিইউ এবং অক্সিজেন সাপোর্টেড বেড রয়েছে ৭৩,৪৬৯টি। এছাড়াও আরও কোভিড হাসপাতাল সহ ভেন্টিলেটর যন্ত্র, আইসোলেশন ওয়ার্ডের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।