প্যারিস: চিন থেকেই ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস। একথা মোটামুটিভাবে প্রমাণিত। তবে সদ্য জানা গিয়েছে যে, ফ্রান্সে নাকি এই ভাইরাস কোথা ধেকে এল, তা কারও জানা নেই।

সম্প্রতি প্যারিসের ‘ইনস্টিটিউট প্যাস্তুর’-এর এক গবেষক জানিয়েছেন, কোনও এক অজানা উৎস থেকে করোনা ছড়িয়েছে চিনে। এই ভাইরাস নাকি চিন আ ইতালি যেখানে ফ্রান্সের আগে সংক্রমণ ছড়িয়েছে সেখান থেকে আসেনি।

গবেষক ড. সিলভি ভ্যান ও এতিয়েন সিমোনের নেতৃত্বেন ওই গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য।

ফ্রান্সে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ২৮ হাজার। মৃত্যু হয়েছে ২৩০০০ মানুষের। ইউরোপের সব দেশের মধ্যে প্রথম করোনা ধরা পড়ে এই ফ্রান্সেই। সেটা ছিল জানুয়ারি মাস। চিন সহ একাধিক দেশ থেকে আসা বেশ কয়েকজনের শরীরে প্রথম কোভিড ১৯ ধরা পড়ে।

ওই গবেষকেরা বহু আক্রান্তের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন। সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখেন, ফেব্রুয়ারি মাসে এমন কারও শরীরে করোনা দেখা যায় যে বিদেশেও যায়নি, আবার বিদেশে গিয়েছে এমন কারও সংস্পর্শেও আসেনি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যখন ফ্রান্সে চিকিৎসকরাও ধরতে পারেননি, তার আগেই শুরু হয়ে যায় লোকাল ট্রান্সমিশন। উপসর্গবিহীণ করোনার জন্যই এই সমস্যা বাড়ে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই ১১ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানো হয়েছে ফ্রান্সে।

দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কথা বিচার করে ফ্রান্সে আগামী ১১ মে পর্যন্ত লকডাউন জারি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স সরকার। ইউরোপের একাধিক দেশ লকডাউন শিথিল করার কথা ভাবলেও সেই পথে হাঁটেনি ফ্রান্স। ১১ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এম্মানুয়েল ম্যাকরঁ।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।