মুম্বই: এই মুহূর্তে অর্থনীতি কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষণ দেখা গিয়েছে, কিন্তু করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ সেই পথে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। সম্প্রতি রিজার্ভ ব্যাংকের ঋণনীতি কমিটির বৈঠকে এমন ঝুঁকির আশঙ্কার কথা তুলে সতর্ক করেছেন তিনি।

শুক্রবার ওই বৈঠকের সংক্ষিপ্ত কার্য বিবরণী প্রকাশিত হয়েছে। যাতে ডেপুটি গভর্নর এমডি পাত্র জানিয়েছেন, এই অতি মহামারীর জন্য দেশের যে পরিমাণ উৎপাদন হারিয়েছে তা ফের ফিরে পেতে কয়েক বছর সময় লাগবে। বিভিন্ন মহলের সমীক্ষা এবং অভিমত জানিয়েছে অন্তত পুরনো অবস্থায় ফিরে যেতে বছরখানেক সময় লেগে যাবে ঠিকমতো অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে।

এমন পরিস্থিতিতে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রিজার্ভ ব্যাংক গত দুটি ঋণনীতিতে সুদের হার অপরিবর্তিত রেখেছে। যদিও অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে সুদের হার কমানোর দাবি জোরালো হচ্ছে। তবে এই প্রসঙ্গে শক্তিকান্ত জানিয়েছেন, বিষয়টা নির্ভর করছে মূল্যস্তর কেমন থাকে তার উপর।

তার বক্তব্য, যদি মূল্যবৃদ্ধি আশানুরূপ থাকে তখন সুদ কমানোর পথে হাটা যেতে পারে। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নরের অভিমত, অর্থনীতির চাকা ঘোরাতে এই বিষয়টি বুঝেসুঝে প্রয়োগ করতে হবে। এটা ঘটনা সেপ্টেম্বর মাসে দেশে খুচরো মূল্যবৃদ্ধির হার ৭.৩৪ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.