নয়াদিল্লি : দেশের করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ। গত বছরও লকডাউনে কাজ হারিয়ে দলে দলে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজের রাজ্যে ফেরার মর্মান্তিক ছবি দেখেছে গোটা দেশ। এত সবকিছুর পরে যখন অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে ঠিক সেই সময়ই ভারতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।
সংক্রমণের হার চার লাখের কাছাকাছি ফলে আশঙ্কা বাড়ছে চাকরির বাজার নিয়ে।

পরিস্থিতি অনেকটা ভালো জানিয়েও উপদেষ্টা সংস্থা সিএমআইই-র(CMIE) সমীক্ষা বলছে, এপ্রিলে বেকারত্বের হার পৌঁছে গিয়েছে চার মাসের সর্বোচ্চ অংকে (৭.৯৭)শতাংশ। শুধু তাই নয় গত মাসে দেশে মার্চের তুলনায় কাজ হারিয়েছেন ৭০ লাখ কর্মী।

যখন দেশের বিভিন্ন রাজ্যে জারি করা হয়েছে আংশিক লকডাউন( Lockdown) সেখানে আগামী কয়েক মাসে বেকারত্বের ছবিটা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেই বিষয়ে নজর দেওয়াটাও জরুরি বলে মনে করেছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ। ইতিমধ্যেই বেকারত্বের হার ৯.৭৮ শতাংশ। এইরকম চলতে থাকলে আগামী দিনগুলিতে চাকরির বাজার যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার সম্ভাবনা। এক্ষেত্রে একদিকে যেমন বেকারত্ব মাথাচাড়া দিচ্ছে অন্যদিকে ক’জনই বা এরপর চাকরির দিকে আসবে তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন রয়েইযাচ্ছে।

উল্লেখ্য, লকডাউনের সময় বহু লোক যেমন চাকরি হারিয়েছিল, তেমনই অনেকে চাকরির আশা নেই ভেবে এবং সংক্রমণের ভয়ে নিজেই সেই দিক থেকে সরে এসেছিল।ফলে সেই সময়ে বেকারত্বের হার ২৪ শতাংশের কাছাকাছি এসে ঠেকেছিল।

২০২০ সালের মে মাসে দেশে চরমে উঠেছিল বেকারত্বের হার। চাকরি হরিয়েছিলেন অনেকে। কিন্তু কেন্দ্র এই দ্বিতীয় ঢেউয়ে আংশিক লকডাউন জারি করলেও সেভাবে লকডাউনের এখনও কোনও ইঙ্গিত দেয়নি। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি ও লকডাউন ভীতিতেই বেকারত্বের হার বাড়ছে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।

সেন্টার ফর মনিটারিং ইন্ডিয়ান ইকনমি প্রাইভেট লিমিটেডের তথ্য বলটে দ্বিতীয় ঢেউয়ের তোড়ে চাকরি হারিয়েছেন অন্তত ৭০ লক্ষ মানুষ। মার্চ মাসে বেকারত্ব বৃদ্ধির হার ছিল ৫.৬ শতাংশ। এপ্রিলে সেটাই বেড়ে ৮ শতাংশ হয়েগিয়েছে। সিএমআইইর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মহেশ ভ্যাস জানিয়েছেন, চাকরি কমতে শুরু করেছে। তার সম্ভবত কারণ লকডাউন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.