কলকাতা: টলিপাড়ার টেলি জগতের স্টুডিওতে চোখ রাখলেই এবং কান পাতলেই এখন শোনা যাচ্ছে কোভিড বিধি ভেঙে শুটিং করার কথা। অনেকেই বলছেন, শিল্পীদের পক্ষে মাস্ক পরে শুটিং করা সম্ভব নয়। কিন্তু টেকনিশিয়ান থেকে পরিচালকেরাও এখন সেটে মাস্ক পরছেন না। মেকআপ ভ্যান যথোপযুক্ত স্যানিটাইজ় করা হচ্ছে না। কলাকুশলী সেটের বাইরে একসঙ্গে আড্ডা মারার সময়েও মাস্ক খুলে রাখছেন। কোনও বাড়িতে শুটিং হলে সেখানে সেট থেকে একটু দূরে গিয়ে কলাকুশলীরা ধূমপান করছেন।

করোনা আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেতা ভরত কল এবং তার স্ত্রী। এছাড়া দেশের মাটি ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্র শ্রুতি দাসও করোনা আক্রান্ত। করোনার আবার ছড়িয়ে পড়া দেখে, চিন্তিত শ্রুতি। সম্প্রতি শ্রুতির অনস্ক্রিন মা অনিন্দিতা রায় চৌধুরীর একটি পোস্ট নিজের সোশ্যাল সাইটে শেয়ার করেন শ্রুতি। যেখানে অনিন্দিতা লিখেছেন, ভোট, ভোটের প্রচার, অবাধ ঘোরাফেরা, যেখানে লোক সমাগম কম হওয়ার কথা সেখানে আরো আরো কত কত লোক আসছে, কোন দলের সভায় বেশি লোক সেসব প্রতিযোগিতা চলছে, with no distance maintaining no masks not a single Covid safety measure!! এখন covid এর মারাত্মক সেকেন্ড ওয়েভ। তাই ২ মে’র পর কোনো রকম লকডাউন বা সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা কে আবার করে শেষ করে দেওয়া হলে আমরা নিশ্চই রুখে দাঁড়াবো বা এখন এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আমরা এর প্রতিবাদ করবো বা আরো অন্য কিছু!!! নাকি আবার ডালগোনা কফি বানাবো!!”

কোভিড পরিস্থিতি যেন গত বছরের মতন এবছর বিনোদন জগত কে সম্পূর্ণরূপে আটকে দিতে না পারে তাই, আর্টিস্ট ফোরাম, ফেডারেশন এবং স্টুডিয়ো মালিকেরা উদ্যোগী হয়েছেন। আর্টিস্ট ফোরাম নোটিস পাঠিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, অতিমারির প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ফোরামের অনুমতি ছাড়া এমনি দিনে রাত দশটার পরে এবং মাসের দ্বিতীয় রবিবার শুটিং করা যাবে না। কোনও সদস্য এই নির্দেশ অমান্য করলে, ফোরাম নিয়মভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। দেশে করোনার সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে তাতে কোভিড প্রটোকল, ঠিকমতো না মানলে তা ভয়াবহ পরিস্থিতি নিতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.