কোচবিহার: রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ৩২ জন পরিযায়ী শ্রমিককে ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরও তাদের শরীরে করোনার উপসর্গ পাওয়া গিয়েছে। তাই, নতুন করে আশঙ্কা বেড়েছে কোচবিহারে।

গত ১৫ মে দিল্লি থেকে ফিরেছিলেন ওই ৩২ জন শ্রমিক। এরপর তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখাও হয়। ১৪ দিন পর তাঁদের কোনও উপসর্গ না দেখা দেওয়ায় তাঁরা বাড়ি ফিরে যান। কিন্তু টেস্টের রিপোর্ট আসতেই দেখা গেল, তাঁদের শরীরে রয়েছে ভাইরাস।

১৪ দিন পরও তাঁদের শরীরে কীভাবে ভাইরাসের উপস্থিতি, তাতেই উদ্বিগ্ন অনেকে। বিশেষত তাঁরা যেহেতু কোয়ারেন্টাইন শেষ করে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন, ফলে, অনেকের সংস্পর্শেও এসেছেন। তাই তাঁদের চিহ্নিত করে আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আপাতত তাঁদের কোভিদ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের এখনও পর্যন্ত কোনও উপসর্গ না থাকায়, মনে করা হচ্ছে তাঁরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

শুক্রবারের হিসেব অনুযায়ী, ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত ২৭৭জন। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৩৪৪ জন। এই পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪,৮১৩ জন । শুক্রবারের রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনে প্রকাশ, বাংলায় নতুন করে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩০২ জনে।

এর মধ্যে কো মর্বিডিটির কারণে মৃত্যু হয়েছে ৭২ জনের। তবে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ২,৭৩৬ জন । গত ২৪ ঘন্টায় যে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে কলকাতার ২জন, হুগলির ২জন, উত্তর ২৪ পরগণার ১ জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১ জন এবং নদীয়ার ১ জন।

শুধু কলকাতায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৭১ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৯৭৩ জনে। শহরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৯৬ জনে। কো মর্বিডিটির কারণে মৃত্যু হয়েছে ৫২ জনের। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৪২ জন। এই পর্যন্ত কলকাতায় ৮২৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। বাংলায় নতুন করে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন আরও ১০৭ জন।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব