কলকাতা:  পরিসংখ্যান বলছে, ২০২০-তে শিশুরাই সবচেয়ে কম সংক্রমিত হয়েছিল করোনা ভাইরাসে। কিন্তু এবারের ডাবল মিউটেন্ট এবং ট্রিপল মিউটেন্টের ধাক্কায় বাচ্চারাও অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বাচ্চাকে সুস্থ রাখতে বাবা-মায়ের কীভাবে সতর্ক হওয়া উচিত? বাবা-মা যদি করোনা আক্রান্ত হয়, তাহলে কীভাবেই বা নিজের সন্তানকে তাঁরা বিপদমুক্ত রাখবে? বিশেষ করে মা যদি করোনা আক্রান্ত হয়, তাহলে কি সে বাচ্চাকে স্তন্যপান করাতে পারবে? এই সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস৷

আরও পড়ুন: গরম জল পান করলে কি করোনা থেকে বাঁচা সম্ভব! কি বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক

যদি শিশু পজিটিভ অথচ মা-বাবা নেগেটিভ হন?

বাচ্চাকে আইসোলেশনে রাখতে হবে। কিন্তু যত্ন নেওয়ার জন্য অভিভাবকদের একজনকে তার কাছে থাকতেই হবে। তখন বাচ্চাকে মাস্ক পরিয়ে রাখতে হবে। অভিভাবককেও পিপিই পরে , মাস্ক পরে তার কাছে যেতে হবে।

যদি মা-বাবা পজিটিভ অথচ বাচ্চা নেগেটিভ হন?

উপায় না থাকলে বাচ্চাকে নিজের কাছে রাখতেই হবে। কিন্তু সবসময় মাস্ক পরে বাচ্চার কাছে থাকতে হবে । স্যানিটাইজেশন করতে হবে বারবার। বাচ্চার সঙ্গে নির্দিষ্ট দূরত্ব রেখেই যত্ন করার চেষ্টা করতে হবে। শিশু সদ্যোজাত হলে মায়ের কাছেই রাখুন তাকে।  মাতৃদুগ্ধও পান করাতে পারে। কারণ মাতৃদুগ্ধে করোনাভাইরাস থাকে না৷ গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মায়ের দুধে করোনার সঙ্গে লড়াই করার জন্যে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি রয়েছে, যাকে ইমিউনোগ্লোবিনও বলা হয়ে থাকে। যদি কখনও কোনও শিশু করোনা আক্রান্ত হয়েও পড়ে, তাহলে সংকটের কোনও লক্ষণ এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি। তবে স্তন্যপান না করালেই ভাল হয়৷

আরও পড়ুন: ক্ষতিগ্রস্ত সবুজ, ‘ইকোনমিক গাছ’ বসিয়ে সবুজায়নের চেষ্টা

এছাড়া, আরও কয়েকটি বিষয় মনে রাখতে হবে৷ যেমন-

বাচ্চাদের চোখ, নাক, মুখ রগরানো থেকে আটকান।

কিছুসময় বাদে বাদে হাত ধোয়া এবং স্যানিটাইজ করাও অভ্যাস করান।

ঘর সবসময় জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করুন৷

দরজার বেল, টেবিল, চেয়ার সবসময় স্যানিটাইজ করুন।

সবজি, ফল বাজার থেকে কিনে এনে আগে ধুয়ে পরিস্কার করুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.