প্রতীকী ছবি

কলকাতা: একের পর এক আক্রান্ত হচ্ছে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের কর্মী আবাসনের আবাসিকরা৷

সূত্রের খবর, সম্প্রতি কর্মী আবাসনে ৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়৷ ফের আরও ৪ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাসের জীবানু৷ এদের মধ্যে একজন হাসপাতালের কর্মী এবং তিনজন পরিবারের সদস্য৷ পরের পর ঘটনার জেরে কর্মী আবাসনে বাড়ছে উদ্বেগ৷

এই পরিস্থিতিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত, আপাতত আবাসনের কাউকে হাসপাতালের ওয়ার্ডের কোনও কাজ দেওয়া হবে না। অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করে সেই কাজ চালানো হবে। ইতিমধ্যেই কর্মী আবাসন এলাকাকে কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

কিছুদিন আগে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের কর্মী আবাসনে তাদের পরিবারের ৭ সদস্য আক্রান্ত হন৷ সূত্রের খবর,বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের কর্মী আবাসনে করোনা পরীক্ষার পর ৭ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তাদেরকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ এর আগে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের দুই স্বাস্থ্য কর্মী করোনা আক্রান্ত হন৷

তারা হাসপাতালের যে আবাসনে থাকতেন,সে দুটি আবাসনকে কন্টেনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ ফলে আবাসনে ঢোকা-বেরোনোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়৷ আবাসিকদের মেনে চলতে হচ্ছে বেশ কিছু নিয়ম৷ আক্রান্ত স্বাস্থ্য কর্মীরা যে আবাসনে আছেন,সেই আবাসনে যারা আছেন, তারা বাইরে বের হতে পারবেন না৷ আপাতত হাসপাতাদের কাজেও যোগ দিতে নিষেধ করা হয়েছে৷

এছাড়া বাইরে থেকে ওই আবাসনে কেউ ঢোকতে পারবে না৷ আবাসিকদের কিছু দরকার হলে তা, প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।