নয়াদিল্লি: ২০৩০ সালের মধ্যে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদন ও ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রায় সারা বিশ্বের মধ্যে প্রথম সারিতে জায়গা করে নিয়েছে ভারত।তবে করোনা মহামারীর কারণে ২০২২ সালের মধ্যে ভারত তার পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ইনস্টলড করার ক্ষেত্রে পূর্বের লক্ষমাত্রা অর্জন করতে পারবে না বলে মনে করছে কেন্দ্র। ২০২২ সালের ভারতের লক্ষমাত্রা ১৭৫গিগা ওয়াট। ২০২১ এর ৩১ শে জানুয়ারি পর্যন্ত ভারত ৯৫ গিগা ওয়াট শক্তি উৎপাদন হয়েছে।

নতুন এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রকের শীর্ষ কর্মকর্তারা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে করোনার ভাইরাসের কারণে সময়মতো পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদন ও ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়তে পারে। ২০২২ সালের মধ্যে ১৭৫ গিগা ওয়াট পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ইনস্টল করার লক্ষমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। তারমধ্যে শুধুমাত্র সৌরশক্তি থেকে আসবে ১০০ গিগা ওয়াট। ২০২১ সালে শুধুমাত্র ৩৮.৭ গিগা ওয়াট ইনস্টল করা হয়েছে। একইভাবে, বায়ু শক্তি ইনস্টল ক্ষমতা ছিল ৬০ গিগা ওয়াট, কিন্তু এর মধ্যে কেবল ৩৮.৬ গিগাওয়াট ইনস্টল করা হয়েছে।

শুধুমাত্র জৈব শক্তি এবং ছোট জলবিদ্যুৎ ইনস্টলেশন লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা পূরণ করা হয়েছে।২০২১ জানুয়ারী পর্যন্ত জৈব শক্তির ১০.৩১ গিগা ওয়াট ইনস্টল করা হয়েছে। যা তার নির্ধারিত লক্ষমাত্রার থেকে বেশি। ক্ষুদ্র জলবিদ্যুতের ক্ষেত্রে ৫ গিগাওয়াট শক্তি ইনস্টল করার লক্ষমাত্রা ছিল সেখানে ৪.৭ ইনস্টলড করা হয়েছে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতীয়দের মাথাপিছু শক্তির ব্যবহার ও নির্গমন বর্তমানে ২০৩০-র লক্ষ্যমাত্রার অনেকাই নীচে রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।সিওপি ২৫ জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনে ভারত জলবায়ু পরিবর্তন পারফরম্যান্স সূচক বা সিসিপিআইতে শীর্ষ দশে স্থান পেয়েছে।

সম্প্রতি জলবায়ু পরিবর্তন সূচকের উপর নির্ভর করে বিশ্বের ৫৭টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত দেশ গুলির উপর সমীক্ষা চালানো হয়। সমীক্ষায় উঠে আসা তথ্যে দেখা যাচ্ছে এই দেশগুলিই বিশ্বব্যাপী ৯০ শতাংশ গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনের জন্য দায়ী।

সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৭টি দেশের মধ্যে ৩১টি দেশেই কমছে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের প্রবণতা। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী প্রচলিত শক্তির মধ্যে কয়লার ব্যবহার হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারও উল্লেখযোগ্যহারে বাড়ছে বলে জানা যাচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.