নয়াদিল্লি: উৎসবের মরশুমে করোনা নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক। তবে ফের আরও একটু সংক্রমণ কমল ভারতে।
রবিবার সকালের বুলেটিন বলছে, সংক্রমণ আরও কমে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ১২৯-এ। দৈনিক সংক্রমণের হারও কম এদিন,। করোনায় মৃতের সংখ্যাও গত কয়েক দিনের তুলনায় কমেছে। দেশে এখন করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা সাড়ে ৭৮ লাখ ছাড়িয়েছে। তবে আশার কথা হল, করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে।

এদিনের হিসেব অনুযায়ী, সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৬ লাখ ৬৮ হাজারে নেমেছে। অর্থাৎ অ্যাকটিভ কেস ৮.৫০ শতাংশ, যা বেশ আশাজনক। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যাকটিভ কেস ১০ শতাংশের নীচে নেমে যাওয়া বেশ ভাল লক্ষণ। করোনা অ্যাকটিভ রোগী কমলে সংক্রমণের হার তথা ট্রান্সমিশন রেট আরও কমবে। এক জনের থেকে সংক্রমণ বহুজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া বন্ধ হবে। ফলে করোনা কার্ভও কমতে থাকবে।

এখনও পর্যন্ত দেশে ১ লক্ষের বেশি করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে ঠিকই, তবে মৃত্যুহার ১.৫১ শতাংশ। যদিও এত জনসংখ্যার দেশে কম মৃত্যুহারেও মৃত্যুর সংখ্যা যথেষ্ট। কেন্দ্রের বুলেটিন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৭৮ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যদিও স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, করোনায় মৃত্যুর অধিকাংশই কোমর্বিডিটির কারণে। প্রায় ৬০ শতাংশ করোনা রোগী হার্টের রোগ, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, ফুসফুসের রোগ বা ক্রনিক কিডনির রোগ, ক্যানসার ইত্যাদি জটিল রোগে আক্রান্ত।

প্রবীণরা শুধু নয়, ৪০ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের মধ্যে কোমর্বিডিটির কারণে মৃত রোগীর সংখ্যাই বেশি। তবে এসবের পাশাপাশি করোনায় সুস্থতার হারও বেড়ে হয়েছে ৯০ শতাংশ। ৭০ লাখ কোভিড রোগী সেরে উঠেছেন। একদিনে রোগ সারিয়েছেন ৬২ হাজারের বেশি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।