নয়াদিল্লি: করোনার দাপটে বিপর্যস্ত গোটা দেশ। লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। আড়াই লক্ষ পার করেছে দেশের সংক্রমণ।এর মাঝে ভয়ঙ্কর রিপোর্ট জারি করেছে ল্যানসেট। তাদের দাবি বাতাসের মাধ্যমে এ বার ছড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ। যা নিয়ে তোলপাড় হয়ে যাচ্ছে গোটা দেশ। ছোট থেকে বড় সকলেই আতঙ্কিত। তবে কি আর কোনওভাবেই মারণ ভাইরাসকে রোখা সম্ভব নয়? সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিজ্ঞানীরা।

তবে এই মারণ ভাইরাসকে কিভাবে আটকাতে হবে? বাঁচার কি কোনো পথ নেই? কোন ধরণের মাস্ক পরা উচিত? কীভাবে মাস্ক ব্যবহার করা উচিত? নানা প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে। ল্যানসেটের সমীক্ষার প্রকাশিত হওয়ার পরে আমেরিকার মেরিল্যান্ড ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিৎসক ফাহিম ইউনুস ট্যুইটারে লিখেছেন, “করোনা বায়ুবাহিত প্যাথোজেন। মানুষের এখন N95 or KN95 মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। একজন একসঙ্গে দুটি মাস্ক কিনবেন। একটি একবার ব্যবহার করার ২৪ ঘণ্টা সেটি আর ব্যবহার না করাই ভাল। তখন সংগ্রহে থাকা ওপর মাস্কটি পরুন। এভাবেই একটি মাস্ক ব্যবহারের পরে ২৪ ঘণ্টা সেটি আর ব্যবহার করা যাবে না।” তিনি আরও বলেন, “যতদিন না একটি মাস্ক নষ্ট হচ্ছে ২৪ ঘণ্টা অন্তর ব্যবহার করুন। কাপড়ের তিন স্তরের মাস্কও ব্যবহার করা যেতে পারে।”

চিকিৎসক ফাহিম ইউনুস সেই এয়ারবোর্ন শব্দটির অর্থ বোঝানোর চেষ্টা করেছেন।তিনি লিখেছেন, “এতে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। এয়ারবোর্ন কথার অর্থ এটা নয় যে বাইরের হাওয়া-বাতাস ভাইরাস দ্বারা দূষিত হয়ে গিয়েছে। এর অর্থ হল, ভাইরাস বাতাসে উপস্থিত থাকতে পারে। বিশেষ করে কোনও ঘরের ভেতরের আবহে, যা সেখান থেকে তা অন্য মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে।” উদাহরণ দিয়ে তিনি আরও বলেছেন, “সমুদ্র সৈকত বা পার্কের মতো জায়গা এখনও সবচেয়ে সুরক্ষিত যদি ৬ ফুট শারীরিক দূরত্ববিধি পালন করা যায়।”

সম্প্রতি আমেরিকা, কানাডা, ইংল্যান্ডের ছয় গবেষকের রিসার্চে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। যাতে স্পষ্টতই দাবি করা হয়েছে কোভিড-১৯ বায়ুবাহিত হয়ে কিংবা অ্যারোসল বা জলকনা বাহিত হয়েই ছড়াচ্ছে সর্বোচ্চ সংক্রমণ। বিশেষ করে জনাকীর্ণ, আবদ্ধ জায়গা যেখানে বায়ুচলাচলের ব্যবস্থা খারাপ সেখানেও সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম করোনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.