নয়াদিল্লি: চলতি বছরে করোনার প্রতিষেধক বাজারে আসার কোনও সম্ভাবনাই নেই, সাফ জানাল বিজ্ঞান মন্ত্রক। মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। তবে নোভেল করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক বাজারে আসতে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময় লাগবেই।

নোভেল করোনাভাইরাসের গ্রাসে গোটা বিশ্ব। করোনার হানায় বিপজ্জনক অবস্থা এদেশেও। প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ। করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। পাল্লা দিয়ে বাড়ছএ মৃত্যুও। এই মুহূর্তে সারা বিশ্বে শতাধিক করোনা প্রতিষেধক নিয়ে নিরন্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানী-গবেষকরা।

এই মুহূর্তে ১০টিরও বেশি প্রতিষেধকের মানবদেহে ট্রায়াল চলছে। ইতিমধ্যেই ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ বা আইসিএমআর জানিয়ে দেয়, আগামী ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসেই ভারতের বিজ্ঞানীদের তৈরি করোনার প্রতিষেধকটি সর্বস্তরে মিলবে।

তবে আইসিএমআর-এর এই দাবিতে সায় নেই বিজ্ঞান মন্ত্রকের। কেন্দ্রের এই বিভাগ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েচে, যে ২০২১ সালের আগে করোনার প্রতিষেধক বাজারে আসার কোনও সম্ভাবনা নেই।

করোনার প্রতিষেধক হাতে পেতে ২০২১ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। হায়দরাবাদের সংস্থা ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন ও আহমেদাবাদের জাইডাস ক্যাডিলার তৈরি জাইকভ-ডি এই দু’টি করোনা প্রতিষেধক ডিসিজিআই-এর থেকে হিউম্যান ট্রায়ালের অনুমতি পেয়েছে।

ইন্ডিয়ান একাডেমি অব সায়েন্স জানিয়েছে, করোনার প্রতিষেধক বাজারে আনার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো অনুচিত। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনও সিদ্ধান্ত গবেষণার মানকে প্রভাবিত করতে পারে। এমনকী তড়িঘড়ি করে ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করলে মানবদেবে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করে বিজ্ঞান মন্ত্রক।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ