নয়াদিল্লি : ইঞ্জেকশন ভয় পাচ্ছেন, তাই নিতে পারছেন না করোনা ভ্যাকসিন? এবার সেই ভয় কাটানোর পালা শুরু। ট্রায়াল শুরু হয়েছে করোনা ভ্যাকসিন ট্যাবলেটের। বিশ্বাস হচ্ছে না ? লস অ্যাঞ্জেলস লেকারস সেরকমই সুখবর দিতে চলেছে।

ওই সংস্থার সদস্য ডঃ প্যাট্রিকের নেতৃত্বধীন টিম এই ধরণের ট্যাবলেটের কাজ শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী বেশ কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবকের ওপর এই ধরণের ট্য়াবলেটের প্রয়োগ শুরু হয়েছে। একাধিক ট্যাবলেট যদি ইঞ্জেকশনের সমতুল কাজ করে, তার পরীক্ষা চলছে। এতে চিকিৎসার খরচও অনেকটা কমবে বলে জানানো হয়েছে। করোনা ভ্যাকসিনের ট্যাবলেট নিয়ে অধিক পরিমাণ মানুষের কাছে পৌঁছনো যাবে বলে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা।

গবেষকরা জানাচ্ছেন তিন ধরণের স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর ট্যাবলেট ভ্যাকসিনের কাজ চলছে। এক, এই বিভাগের স্বেচ্ছাসেবকরা ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন। দুই, এই বিভাগের স্বেচ্ছাসেবকরা কোনও ধরণের ভ্যাকসিনই নেননি। তিন, এই বিভাগের স্বেচ্ছাসেবকরা ইঞ্জেকশন ও ট্যাবলেট দুই ধরণের ভ্যাকসিনই নিয়েছেন।

৫৫ বছরের নীচে বয়েসীদের ওপর করোনা ভ্যাকসিনের ট্যাবলেটের প্রয়োগ করা হচ্ছে। আমেরিকার কোম্পানি ওরামেড ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে যৌথভাবে করোনার ক্যাপসুল বানানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রেমাস বায়োটেক। গত ১৯ মার্চ এই ক্যাপসুলের কথা ঘোষণা করেছে দুই সংস্থা। তাদের তরফে দাবী করা হয়েছে একটি সিঙ্গল ডোজ নেওয়ার পর এর কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। এই ক্যাপসুলের নাম রাখা হয়েছে ওরাভ্যাক্স। এর একটি ক্যাপসুল পশুদের উপর পাইলড স্টাডি করা হয়েছিল। ওরাভ্য়াক্স ওরাল ভ্যাকসিন নিউট্রিলাইজিং অ্যান্টিবডিস ও অনাক্রম্যতা তৈরি করতে যে সক্ষম পশুদের উপর পরীক্ষায় তা জানা গিয়েছে।

প্রেমাসের প্রোটিন বেসড VLP (ভাইরাস লাইক প্র্যাকটিস) ভ্যাকসিন SARS CoV-2 ভাইরাসের উপর তিনটি সুরক্ষা তৈরি করে। স্পাইক এস, মেমব্রেন এম ও এনভেলপ ই (কিন্তু নিউক্লোক্যাপসিড এন অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে গিয়ে নয়)। পশুদের উপর এই ভ্যাকসিন পরীক্ষার ফলাফল খুব শীঘ্রই প্রকাশ্যে আনা হবে। এটি ছাড়া ভারত বায়োটেক করোনার ভ্যাকসিনের নাসাল ফর্মও আনছে। ইউনিভার্সিটি অফ উইসপনসিনের সঙ্গে যৌথভাবে এই উদ্য়োগ নেওয়া হয়েছে। এর ট্রায়াল ইতিমধ্য়েই শুরু হয়ে গিয়েছে। এর মানব শরীরের উপর পরীক্ষা শীঘ্রই শুরু হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।