জেনেভা: চলছে টিকায় টিকায় লড়াই। কে বেশি শক্তিশালী, কার বেশি ক্ষমতা সব নিয়েই চুলচেরা বিশ্লেষণ উঠে আসছে। আর প্রতিপক্ষ অদৃশ্য ঘাতক করোনা হামলায় মৃত্যুর সংখ্যা হু হু করে বাড়ছেই। করোনা প্রতিষেধক হিসেবে দু’শোর বেশি টিকা বা ভ্যাকসিনের মধ্যে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে ১৫টি।

এই টিকাগুলির মধ্যে সবথেকে এগিয়ে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের আবিষ্কার করা অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) বলছে, করোনাভাইরাসের পরীক্ষাধীন ভ্যাকসিনগুলি মধ্যে সবথেকে এগিয়ে রয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগটি।

সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথম সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, অগ্রগতি বিবেচনায় সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটি। এরপরেই রয়েছে মার্কিন কোম্পানি মডার্না। তবে হু জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত করোনা মারতে কার্যকর ভ্যাকসিন উদ্ভাবন সম্ভব হয়নি।

সবই পরীক্ষামূলক স্তরে রয়েছে। তবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ উৎপাদনকারী অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছেছে। এটি কোভিড-১৯ থেকে মানুষকে কতটা কার্যকরভাবে সুরক্ষা দিতে পারে, তা পরীক্ষা করে দেখা হবে। টিকা ছাড়াও দুটি ওষুধ নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা।

এই দুটি ওষুধের একটি হল রাশিয়ার অ্যাভিফ্যাভির। অন্যটি হলো আমেরিকার রেমডিসিভির।লড়াই তুঙ্গে। ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে সর্বশেষ করোনা পরিসংখ্যান। বিশ্বজুড়ে মৃত ৪ লক্ষ ৯৭ হাজারের বেশি। সুস্থ হয়েছেন ৫৩ লক্ষ ৭৫ হাজারের বেশি জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.