নয়াদিল্লি : টিকা উৎসব সফল। এমনই মনে করছে কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্রের মোদী সরকারের দাবি যে গতিতে করোনা টিকা দেওয়া হচ্ছে, তা বেশ সন্তোষজনক। টিকা উৎসবের ফলে ইতিমধ্যেই ১১ কোটি মানুষের কাছে করোনা টিকা পৌঁছে দিতে পেরেছে কেন্দ্র।

বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে চার দিন ব্যপী চলা টিকা উৎসবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ টিকা নিতে পেরেছেন। রবিবার থেকে এই উৎসব শুরু হয়েছে। ১৪ই এপ্রিল অর্থাৎ বুধবার সেই উৎসব শেষ হল। সর্বোচ্চ সংখ্যক যোগ্য লোককে টিকা দেওয়াই হল এই অভিযানের লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশে এই বিশেষ টিকাদান অভিযান শুরু হয় রবিবার।

উল্লেখ্য, ১০ কোটি টিকা দেওয়া প্রথম দেশ হল ভারত। ৮৫ দিনের মধ্যে এই গণ্ডি পার করে ভারত। যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিনের মতো দেশকে পিছনে ফেলে দেয় ভারত। উল্লেখ্য, ভারতে টিকাকরণ শুরু হয়েছিল ১৬ জানুয়ারি। দৈনিক হারে ভারতে প্রায় ১০ লক্ষ ৭৭ হাজার মানুষ করোনা টিকা পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় একটি গ্রাফ টুইট করে বলা হয়েছে যে, ভারত টিকাকরণে দ্রুততম দেশ হিসাবে উঠে এসেছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে এই মাইলফলক ছুঁতে পেরেছে। এটিই ভারতকে স্বাস্থ্যকর এবং কোভিডমুক্ত ভারত গড়তে মুখ্য ভূমিকা নেবে।

বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্যানুযায়ী গত চব্বিশ ঘণ্টায় সারা দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩৭২। গত চব্বিশ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ১,০২৭ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮২,৩৩৯ জন। তবে এখনও পর্যন্ত দেশে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ১৩,৬৫,৭০৪। বুধবার পর্যন্ত সারা দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছুঁয়েছে ১ কোটি ৩৮ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮২৫। আপাতত করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১ লক্ষ ৭২ হাজার ৮৫ জন।

ইতিমধ্যেই করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে একাধিক রাজ্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। দেশের মধ্যে করোনার সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় মহারাষ্ট্রে জারি ১৪৪ ধারা। মহারাষ্ট্র সরকার জানিয়েছে, লকডাউনে সায় নেই প্রশাসনের। তবে করোনা পরিস্থিতি বিচার করে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।

সংক্রমণের শিখরে দিল্লি। রাজধানীতে করোনার সংক্রমণ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। একদিনে দিল্লিতে করোনা আক্রান্ত প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার। দিল্লিজুড়ে হু হু করে বড়ছে সংক্রমণ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দিশেহারা দশা কেজরিওয়াল সরকারের। এখনও পর্যন্ত এটাই দিল্লিতে করোনার দৈনিক সর্বোচ্চ সংক্রমণ।

ভোটের বাংলাতেও কাঁপুনি ধরাচ্ছে করোনা। হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গোটা রাজ্যের মধ্যে করোনা ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে শহর কলকাতায়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফের মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোন (Micro containment zones), সেফ হোম (safe homes) ফিরছে শহরে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী কলকাতার আবাসনগুলিতেই সবেচেয়ে বেশি করোনা ছড়াচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.