নয়াদিল্লি : এবার করোনার মোকাবিলা করতে আসরে নামছে আয়ুষ মন্ত্রক। মোট চারটি আয়ুর্বেদিক ওষুধ করোনা বাইরাসের মোকাবিলায় কাজে লাগানো হতে চলেছে। এর মধ্যে বেছে নেওয়া হয়েছে অশ্বগন্ধাকে।

হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের আয়ুর্বেদিক ভার্সন বলা চলে অশ্বগন্ধাকে, মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্যমন্ত্রক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক ও আয়ুষ মন্ত্রকের যৌথ উদ্যোগে ট্রায়ালে নামতে চলেছে মোট চারটি আয়ুর্বেদিক ওষুধ।

ট্রায়ালের মূল কাজ করবে কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ বা সিআইএসআর। সেক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সাহায্য করবে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআর। ক্লিনিক্যাল রিসার্চের জন্য ইতিমধ্যেই বেশ কিছু নিয়ম চালু করা হয়েছে। অন্তর্বিভাগীয় আয়ুষ টাস্ক ফোর্স এই রিসার্চ বা পরীক্ষানিরীক্ষায় সাহায্য করবে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে চারটি আয়ুর্বেদিক ওষুধকে।

এর মধ্যে রয়েছে অশ্বগন্ধা, যষ্ঠিমধু, গুডুচি ও পিপ্পালি, পলি হার্বাল ফর্মুলেশন বা আয়ুষ ৬৪। মূলত বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে করোনা আক্রান্ত হতে পারেন, এমন মানুষের ওপর চলবে আয়ুর্বেদিক ট্রায়াল। গোটা দেশের ২৫ রাজ্য জুড়ে ৫ লক্ষ মানুষের ওপর এই ট্রায়াল চালানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন আয়ুষ সঞ্জীবনী মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করেছেন। আয়ুষ মন্ত্রক ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের যৌথ উদ্যোগে এটি তৈরি করা হয়েছে। ৫০ লক্ষ মানুষের কাছে প্রাথমিকভাবে আয়ুর্বেদিক ওষুধ সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এটি তৈরি। বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতালের তরফ থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পরেই কাজ শুরু করার চিন্তা ভাবনা করা হয়।

মুম্বই, দিল্লি, লখনউ সহ বিভিন্ন শহরের হাসপাতালগুলি আয়ুর্বেদ নিয়ে কাজ করতে চায়। উল্লেখ্য আয়ুষ মন্ত্রক আয়ুর্বেদ, যোগ, ন্যাচেরোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি, ইউনানি ও সিদ্ধার ভূমিকা তুলে ধরতে চায়। যদিও একাধিকবার সমালোচনার মুখেও পড়তে হয় তাদের। মন্ত্রক জানিয়েছে এই ট্রায়াল চলবে ১৫ দিন ধরে, দুটি পদ্ধতিতে। একদিকে, শুধু আয়ুর্বেদিক ওষুধ খাবেন রোগি।

অন্যদিকে অ্যালোপ্যাথি ওষুধের সঙ্গে চলবে আয়ুর্বেদিক ওষুধের ডোজ। এদিকে, দেশে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে করোনা। প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। শেষ ২৪ ঘন্টাতেও করোনা আক্রান্ত ৩ হাজার ৩২০ জন, মৃত্যু হয়েছে ৯৫ জনের। দেশে মোট আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯ হাজার ৬৬২। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৯৮১ জনের। দেশে বর্তমানে অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ৩৯ হাজার ৮৩৪ টি।

সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা বর্তমানে ১৭ হাজার ৮৪৭। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে এই পরিসংখ্যান পাওয়া গিয়েছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুসারে সারা দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ সর্বাধিক। সেখানে মৃতের সংখ্যাও বেশি। এরপরেই এই তালিকায় রয়েছে গুজরাত। ৩ নম্বরে রয়েছে রাজধানী দিল্লি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।