ঢাকা: কোটি কোটি টাকার ভুয়ো করোনা টেস্ট রিপোর্ট তৈরি, হাজার হাজার মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চিকিৎসক সাবরিনা চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। টানা ৪৮ ঘণ্টার বেশি পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে প্রভাবশালী মহলের সাহায্যে নিজেকে মুক্ত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা কাজে এলো না।

রবিবার করোনা টেস্ট কেলেঙ্কারি চক্র জেকেজি গ্রুপের মক্ষিরানি ডা. সাবরিনা চৌধুরী ধরা পড়লেন। তিনি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক। আগেই তার স্বামী জেকেজি সিইও ডা. আরিফ চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার চারটি বিয়ে। চতুর্থ স্ত্রী হলেন সাবরিনা। বাকি তিন স্ত্রী কেউ ইংল্যান্ড তো কেউ রাশিয়ায় থাকে।

করোনাভাইরাস বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা করোনা টেস্টের নামে জালিয়াতি ব্যবসা ফাঁদে। অসহায় মানুষ তাদের কাছে করোনা টেস্ট করান। আর ভুয়ো রিপোর্ট দিয়ে কোটি কোটি টাকা রোজগার করে জেকেজি সংস্থা।

অভিযোগে উঠে এসেছে, ঢাকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে জন সাধারণের নমুনা সংগ্রহ করত জেকেজি কর্মীরা। কোনও পরীক্ষা না করেই প্রতিষ্ঠানটি ১৫ হাজার ৪৬০ জনকে করোনার টেস্টের ভুয়ো রিপোর্ট দেয়। এর ফল মারাত্মক আকার নিতে থাকে।

মনে করা হচ্ছে, কোনও করোনা সংক্রামক রোগীর ভুয়ো রিপোর্টে নেগেটিভ দেখানোয় তিনি প্রকাশ্যে ঘুরে আরও বহুজনের দেহে সংক্রমন ছড়িয়েছেন অজান্তেই। তদন্তে উঠে এসেছে, জনপ্রতি সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা।

বিদেশি নাগরিকদের কাছে জনপ্রতি একশ’ ডলার হিসাবে করোনার টেস্ট করানোর অছিলায় জেকেজি গ্রুপ ৭ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা বেআইনি রোজগার করেছে। এই চক্রের মূল দুই মাথা ডা. আরিফ ও তার স্ত্রী ডা. সাবরিনা চৌধুরী। দু জনেই পুলিশের জালে। এর আগে আরও এক সংস্থার কর্মতর্তারা করোনার ভুয়ো টেস্ট করানোর অপরাধে ধৃত।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ