ফাইল ছবি।

দেরাদুন : জোর প্রস্তুতি চলছে। হরিদ্বার সেজে উঠছে ২০২১ সালের মহাকুম্ভের জন্য। তবে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রশাসনিক স্তরে একাধিক নিয়ম জারি করা হয়েছে। উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত জানিয়ে দিয়েছেন এবার মহাকুম্ভে গঙ্গায় ডুব দিতে গেলে বা স্নান করতে গেলে দেখাতে হবে করোনা পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট।

এই রিপোর্ট দেখানোর পরেই ছাড় মিলবে গঙ্গাস্নানে, বলে জানিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। সোমবার হরিদ্বারে একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী রাওয়াত। কোনও ভাবেই যাতে মহাকুম্ভ থেকে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্যই এই ব্যবস্থা বলে জানানো হয়েছে। রাজ্যের প্রতিটি দফতরকে সতর্ক করা হয়েছে। প্রত্যেক সরকারি আধিকারিকের ওপর নজরদারির দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে।

বর্তমান করোনা সংকটের সময় মহাকুম্ভের আয়োজন উদ্যোক্তাদের কাছে এক বড় চ্যালেঞ্জ। কোনও ভাবেই উদ্যোক্তারা এবার মহাকুম্ভ বাতিল করতে রাজি নয় ‌। কুম্ভমেলা অধিকারী দীপক রাওয়াত জানিয়েছেন,সরকারি গাইডলাইন মেনে অতিরিক্ত ব্যবস্থা মাথায় রেখে পরিকল্পনা করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সিসিটিভি বসিয়ে নজরদারি চলবে।

প্রশাসন জানিয়েছে প্রতিটি পয়েন্টে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হবে। মহাকুম্ভে যাঁরা অংশ নেবেন, তাঁদের প্রত্যেকের রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করা হবে। অ্যান্টিজেন টেস্টেরও ব্যবস্থা রাখা হবে।

এই অতি মহামারীর বছরে জরুরীকালীন তৎপরতায় ১০০ শয্যাবিশিষ্ট করোনা হাসপাতালের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে এবং অন্যান্য অসুস্থতার কথা চিন্তা করে ৫০ শয্যাবশিষ্ট অপর একটি হাসপাতালের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।‌ উত্তরাখণ্ড সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণে মাস্ক সরবরাহের ব্যবস্থা করছে।

তিন মাস ধরে চলা কুম্ভ মেলায় গঙ্গায় পরিবেশের দূষণ হতে পারে ।‌ সে ক্ষেত্রে গঙ্গা পরিষ্কার করার দায়িত্ব পড়ে কেন্দ্রীয় জল শক্তির অন্তর্গত ন্যাশনাল মিশন ফর ক্লিন গঙ্গা (এন এম সি জি)এর উপর। এরাই বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পর গঙ্গা পরিস্কারের দায়িত্ব নেয়।

১১ বছর পর ফের এমন মহাকুম্ভ হচ্ছে হরিদ্বারে। এর আগে ২০১০ সালে শেষ হয়েছিল। সেবারে ১.৬৩ কোটির ভক্ত ও যাত্রী সমাগম হয়েছিল। ১৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত মহাকুম্ভ চলবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।