গত বারের চেয়ে এ বার শিশুদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার হার অনেক বেশি। এই সময় আপনার একরত্তির সুস্বাস্থ্য গড়তে মেনে চলুন বিশেষ ডায়েট চার্ট৷ এই সময় তাদের কী খাওয়াবেন, কী খাওয়াবেন না- পরামর্শ দিলেন বিশিষ্ট শিশু বিশেষজ্ঞ সুমন পোদ্দার৷ 

শিশু জন্মের পর থেকে দু’ বছর বয়স পর্যন্ত ডায়েট:

ছোটদের ন্যাচারাল ইমিউনিটি বুস্ট-আপ করতে হবে। শিশুর জন্মের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মা বাচ্চাকে দুধ খাওয়াতে শুরু করুন।  ছ’মাস পর্যন্ত শিশু শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাবে। এক ড্রপ জলও নয়। কারণ এটা ন্যাচারাল প্রোডাক্ট। নিউট্রিশানালি পারফেক্ট, ওয়েল ব্যালান্সড। মায়ের দুধে প্রচুর জল থাকে। ২৪ ঘণ্টায় আট থেকে ১০ বার খাওয়ান। ব্রেস্ট মিল্ক খাওয়ালে করোনা হতে পারে এমন কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ফলে এটা সুরক্ষিত এবং সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ খাবার।

ছ’মাস বয়সের পর থেকে শিশুর মায়ের অর্ধেক ডায়েট নেওয়া উচিত। যেহেতু সাধারণ ছ’মাসের পর মায়ের মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ে না ফলে এই সময় থেকে যদি অন্য খাবার না দেওয়া হয় তাহলে বাচ্চার শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়। এছাড়া, কলা, পেঁপে, আম, ডালসেদ্ধ, পেঁপে, সবেদা গাজর চটকে দিতে পারেন।  শিশুকে দু’-তিন চামচ করে খাওয়ান।

আরও পড়ুন: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ থেকে কীভাবে বাঁচাবেন ছোট্ট সন্তানকে, পরামর্শ চিকিৎসকদের

আট মাসের পরে খিচুড়ি, পায়েস দিতে পারেন। পাতলা করে সুজি খাওয়ান। প্রোটিন-ক্যালোরি বাড়াতে হবে। চিকেন স্টু দিন৷ মাছ দিতে পারেন সেদ্ধ করে। বারেবারে অল্প পরিমাণে খাওয়ান। যদি আপেল সহ্য করতে পারে তাহলে আপেল সিদ্ধ করে দিতে হবে। রুটির মোটা অংশ ছিঁড়ে গরম সবজির সুপে অথবা ডালে ডুবিয়ে নরম করে দিন। এক বছরের আগে বাজারচলতি দুধ না দেওয়াই ভাল। ৯ মাস থেকে দই, ছানা দেওয়া যায়।

দু-বছরের পর ডায়েট:

তিন-চার বছর বয়সে হেলদি স্ন্যাক্স দিন। বাড়ির খাবার দিন। ছাতু, সবজি দিয়ে রুটি-পরোটা বানিয়ে দিন। আলুকাবলি বানিয়ে দিন। চিঁড়ের পোলাও দিতে পারেন৷ অল্প তেলে নাড়াচাড়া করে  সিদ্ধ নুডলস দিন৷

মনে রাখবেন শিশু একঘেয়ে খাবার পছন্দ করে না। বিভিন্ন রকমের পুষ্টিকর সহজপাচ্য খাবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খাওয়ানো উচিত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.