নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে ভয় ধরাচ্ছে করোনা সংক্রমণ। শেষ ২৪ ঘন্টাতে এই নিয়ে পরপর দু’দিন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষের বেশি মানুষ। ফলে সারা দেশেই সংক্রমণের এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। এহেন পরিস্থিতিতে ব্যাংকের কর্মীদের নিয়ে চিন্তায় ব্যাংক ইউনিয়নগুলি।

ব্যাংকের কর্মীদের সমস্ত রকম সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেছে ব্যাংক ইউনিয়নগুলি। অন্যদিকে কেন্দ্রের কাছে ব্যাংক ইউনিয়ন আবেদন করেছে যাতে ন্যূনতম কর্মী নিয়ে ব্যাংক পরিচালনায় কার্যদিবস হ্রাস করা হয়।

ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাংক ইউনিয়নস এর সঞ্জীব কে ব্যান্ডলিশ অর্থ মন্ত্রকের ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের সেক্রেটরি দেবাশীষ পান্ডাকে একটি চিঠি লিখে জানিয়েছেন, গত বছরের মতো আগামী ৪ থেকে ৬ মাসের জন্য ফিজিক্যাল ব্যাংকিং পরিষেবা বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকের কাজের সময় কমানো যেতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এক্ষেত্রে সকাল ১০ টা থেকে ২ টো অবধি কর্ম সময় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।

আরও খবর পড়ুন – গ্রহাণু থেকে নমুনা আনতে গিয়ে গোলমাল, ফের পাঠানো হল নাসার মহাকাশ যান

উল্লেখ্য, ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাংক ইউনিয়নস বা ইউএফবিইউ সারা দেশে নয়টি ব্যাংকিং ইউনিয়নের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে। ফলে তাঁদের আবেদন যে অর্থমন্ত্রকে যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে তা বলাই যায়।

এছাড়া ওই সংস্থা জানিয়েছে, সব ব্রাঞ্চ খোলার বদলে যদি নির্বাচিত শাখায় ব্যাংকিং সুবিধা দেওয়া হতে থাকে, তবে বহু ব্যাংক কর্মীদের করোনভাইরাসের সংস্পর্শে আসার হাত থেকে রক্ষা পাবে। ফলে করোনা ঝুঁকি কমবে, মোট সংক্রমণ কিছুটা হলেও কমবে। পাশাপাশি কিছু কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোমে থেকেও কাজ করতে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।

অন্যদিকে দেশে আজকের রিপোর্টেও সর্বোচ্চ সংক্রমণ ধরা পড়েছে। সংক্রমণ যে লাগামছাড়া হয়ে উঠেছে তা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। শুক্রবারের রিপোর্ট বলছে শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ১৭ হাজার ৩৫৩ জন। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ১১৮৫ জনের। অন্যদিকে এই সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৩০২ জন। এত সংখ্যক মানুষ সুস্থ হওয়ার পরেও দেশে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের গ্রাফ ক্রমেই বাড়ছে। এই মুহুর্তের রিপোর্ট বলছে দেশে করোনা আক্রান্তর সংখ্যা ১৫ লক্ষ ৬৯ হাজার ৭৪৩।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.