ঢাকা: ৫ ই এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ লকডাউন শুরু হয়েছে। এবার লকডাউনের মধ্যে বাংলাদেশে এক সপ্তাহের জন্য অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সমস্ত অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে দেশের সরকার। তবে চালু থাকবে কার্গো ফ্লাইট ।রবিবার সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ (CAAB) সমস্ত আন্তর্জাতিক যাত্রী বিমানে স্থগিদাদেশের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৪ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সব অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। তবে চালু থাকবে কার্গো ফ্লাইট ।আরো বলা হয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে আগত যাত্রীদের সরকার মনোনীত হোটেলগুলিতে নিজেদের খরচে ১৪ দিনের জন্যে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ১৪ই এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে এই বিধি। হেলিকপ্টার / জেনারেল এভিয়েশন এর সমস্ত অভ্যন্তরীণ যাত্রী বিমান এবং চার্টার ফ্লাইট ১৩ ই এপ্রিল থেকে বন্ধ থাকবে। ১৪ ই এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত স্থানীয়,এবং প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সব ধরণের ফ্লাইট বন্ধ থাকবে।

CAAB জানিয়েছে, যে সমস্ত বিমান চলবে সেক্ষেত্রে বিমানের মধ্যে এবং ভিতরে সমস্ত করোনাবিধি মেনে চলতে হবে। স্যানিটাইজেশন এবং সামাজিক দূরত্ব পদ্ধতি কঠোরভাবে মানতে হবে।

বাংলাদেশ গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৮১৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে।যার মধ্যে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও সংক্রমিত হয়েছেন।বাংলাদেশে একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছে ৭৮ জন। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ৭৫৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ কোটি ৬৬‌ লক্ষ ৩০ হাজার ৩৫২ জন। করোনায় মারা গেছেন ২৯ লক্ষ ৪৯ হাজার ২৭৯ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ কোটি ৯৮ লক্ষ ৬০ হাজার ৬২০ জন।ওয়ার্ল্ডোমিটারের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১৯ লক্ষ ১৮ হাজার ৫৯১ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৫ লক্ষ ৭৫ হাজার ৮২৯ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.